নিউজ ডেস্কঃ করোনাভাইরাসের টিকা স্পুতনিক-ভি উৎপাদনের অনুমতি চেয়ে ভারতের ওষুধ নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানের কাছে আবেদন করেছে সেরাম ইনস্টিটিউট। গতকাল সেরামের পক্ষ থেকে ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়ার (ডিসিজিআই) কাছে এ আবেদন করা হয়েছে।
ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি খবরে বলা হয়েছে, পুনেভিত্তিক টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সেরাম রাশিয়ার তৈরি করোনার টিকা উৎপাদনের আবেদন জানিয়েছে। বর্তমানে ভারতে ড. রেড্ডিজ ল্যাবরেটরিতে রাশিয়ার স্পুতনিক-ভি টিকা উৎপাদন করা হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, গতকাল সেরামের পক্ষ থেকে ডিসিজিআইয়ের কাছে আবেদন জমা দেওয়া হয়।
সেরামের পক্ষ থেকে ভারতীয় সরকারকে জানানো হয়, জুন মাসের মধ্যে তারা ১০ কোটি কোভিশিল্ড টিকা উৎপাদন ও সরবরাহ করতে পারবে। সেরাম ইনস্টিটিউট এখন নোভাভ্যাক্স টিকাও উৎপাদন করছে। গত এপ্রিলে ভারতে এই টিকার জরুরি প্রয়োগের অনুমতি দিয়েছে ডিজিসিআই।
এনডিটিভি অনলাইনের তথ্যমতে, ভারতে আগের দিনের তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত কিছুটা বেড়েছে। তবে কমেছে মৃত্যু। গত ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার) ভারতে ১ লাখ ৩৪ হাজার ১৫৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়। আগের দিন মঙ্গলবার শনাক্ত হয় ১ লাখ ৩২ হাজার ৭৮৮ জনের করোনা।
গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনায় মারা গেছেন ২ হাজার ৮৮৭ জন। আগের দিন মঙ্গলবার মারা যান ৩ হাজার ২০৭ জন।
সবশেষ এই তথ্য নিয়ে ভারতে করোনায় সংক্রমিত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৮৪ লাখ ৪১ হাজার ৯৮৬। মারা যাওয়া ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৩৭ হাজার ৯৮৯।
ভারতে সংক্রমণ ‘বিস্ফোরণের’ জন্য করোনার ভারতীয় ধরনকে অনেকাংশে দায়ী করা হয়। করোনার ভারতীয় ধরনগুলোর মধ্যে একটিকে ‘উদ্বেগজনক’ হিসেবে বিবেচনা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
ওয়ার্ল্ডোমিটারস শুরু থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের করোনাবিষয়ক হালনাগাদ তথ্য দিয়ে আসছে। ওয়ার্ল্ডোমিটারসের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের পরেই রয়েছে ভারত। ভারতের পর রয়েছে ব্রাজিল। আর মৃত্যুর দিক দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিলের পরেই রয়েছে ভারত।
