

হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
হবিগঞ্জ শহরের শর্ত সাপেক্ষে সীমিত আকারে কয়েকটি দোকানে ইফতার বিক্রির অনুমতি দিয়েছে জেলা প্রশাসন। তবে শারীরিক দূরত্ব বজায় ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন না রাখলে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও হুশিয়ারি প্রদান করা হয়েছে।এদিকে, দোকান খোলে ইফতারের ফসরা সাজিয়ে বসলেও চোখের পড়ার মতো ক্রেতা ছিল না। অনেকেই বলছে করোনা আতঙ্কের মধ্যে ইফতারের গুণগত মানের বিষয়ে সন্ধিহান হয়ে অনেকেই এই ইফতার সামগ্রী থেকে দূওে থাকছেন।অন্যদিকে, ক্রেতা না থাকার কারণে লাভের আশায় দোকান খোলে উল্টো লোকসানে পড়ার আশংঙ্কা করছেন বিক্রেতা।জানা যায়- যেখানে করোনা পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষে মধ্যে বিরাজ করছে আতঙ্ক। তবুও রমজানে সাধারণ মানুষ ও ব্যাচলরদের ভুগান্তির কথা বিবেচনা করে শর্ত সাফেক্ষে কয়েকটি হোটেল ও রেস্টুরেন্টকে ইফতার সামগ্রী বিক্রি করার অনুমতি দেয় জেলা প্রশাসন। তবে তাদেরকে কড়াকড়িভাবে শতর্ক করে দেয়া হয় বেশ কিছু শর্তে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে শারীরিক দূরত্ব বজায় ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়টিকে। এছাড়াও ফুটপাতে কোন ইফতার বিক্রি করতেও কঠোরভাবে নিষেধ করে দেয়া হয়। প্রশাসনের সকল শর্ত মেনে শহরের মধুবন রেস্তোরা ও ম্যাংগো রেস্টুরেন্টসহ কয়েকটি অভিযাত প্রতিষ্ঠান দোকান খোলতে রাজি হয়।
বুধবার প্রথম দিন বিকেলে শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়- বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মাসকলাই, পেয়াজু, ছোলা, বেগুনীসহ কমন কয়েকটি আইটেমের পসরা সাজানো হয়েছে। যদিও ক্রেতার উপস্থিতি তেমন চোখে পড়েনি। অনেকে বলছেন- দোকান খোলার বিষয়ে শহরবাসীর অজানা থাকায় ক্রেতাদের তেমন উপস্থিতি মিলেনি। সময়ের ব্যবধানে ক্রেতার সংখ্যা বাড়বে বলে মনে করছেন অনেকে।
এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান বলেন, ‘আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সীমিত আকারে ইফতারীর দোকান খোলার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। তবে শর্তানুয়ায়ী ক্রেতাদের ইফতার বিক্রি করতে হবে। শারীরিক দুরত্ব বজায় রাখা ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার বিক্রি ও তৈরী করাসহ বিভিন্ন শর্ত বেধে দেয়া হয়েছে। কেউ এই শর্ত ভঙ্গ করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেটগণ সার্বক্ষণিক নজর রাখবেন।’