‘হামাক নদী ভাঙনের হাত থাকি বাঁচান’

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual6 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্টঃ হামাক নদী ভাঙনের হাত থাকি বাঁচান, নদী ভাঙন হামাক পথে বসি দিছে’- এই আর্তি চিকলী নদীর তীরবর্তী চিকলীপাড়া গ্রামের শতাধিক পরিবারের।

Manual6 Ad Code

প্রতিবছর ওই এলাকার একেকটি পরিবারের বসতভিটা, ঘরবাড়ি, গাছ-পালা, ক্ষেতের ফসল, রাস্তা-ঘাট গিলে খাচ্ছে রাক্ষুসে চিকলী নদী।

Manual2 Ad Code

ওই সব ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দাবি, তারা নদী ভাঙনের হাত থেকে বাঁচতে চান। প্রতিবছর ভিটেমাটি হারিয়ে পথে বসতে হয়। এ সময় ত্রাণও তাদের কাছে পৌঁছে না। পানি কমে গেলে মাথা গোঁজার ঠাই করে নেন বহু কষ্টে। পরের বছর নদী ভাঙনে আবার সেটি বিলিন হয়ে যায়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মধুরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ও নদী ভাঙনের মুখে পড়েছে। রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার মধ্য দিয়ে তিনটি নদী প্রবাহিত।

তবে বিশেষ করে সর্বনাশী যমুনেশ্বরী ও চিকলী নদীর ভাঙনে মানুষের যেভাবে সর্বনাশ ডেকে এনেছে, তা ভাবতে তীরবর্তী মানুষের মন শিউরে উঠেছে। যমুনেশ্বরী নদী ভাঙনের দাগ আজও পরে আছে, সেই ঘনিরামপুর থেকে শুরু করে কাশিয়াবাড়ি পর্যন্ত।

আর চিকলী নদীর তীরবর্তী চিকলীপাতা গ্রামটিও নদীগর্ভে বিলিন হয়ে যাওয়ার পথে। সর্বনাশী যমুনেশ্বরী ও চিকলী নদীর পেটে এই গ্রামের রাস্তা-ঘাট থেকে শুরু করে আবাদী জমিগুলো চলে যাচ্ছে।

Manual7 Ad Code

শয়ে শয়ে ঘরবাড়ি, দালান -কোঠা, মন্দির-মসজিদ, ঈদগাঁ-কবরস্থান রাক্ষুসের মত গিলে খেয়েছে এই নদী।

Manual3 Ad Code

এ উপজেলার মোট আয়তন ৩১.৭৯২ একর জমির মধ্যে নদীর আয়তন হচ্ছে ২৫০ একর। নদী ভাঙনের প্রতিরোধ ব্যবস্থা সরকার না করায় প্রতি বছর বর্ষায় নতুন করে আবাদী জমি ঘরবাড়ি, দালানসহ অনেক কিছু হারিয়ে দিন দিন মানুষ ভূমিহীন হয়ে পড়ছে।

তাই তারাগঞ্জ উপজেলার নদী অঞ্চলের মানুষজন বিশেষ করে যমুনেশ্বরী ও চিকলী নদী ভাঙনের প্রতিকার হিসাবে দ্রুত বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেয়ার জন্য সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।

শনিবার এ বিষয়ে সৈয়দপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপ-প্রকৌশলী কৃষ কমলের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আজকালের মধ্যেই যমুনেশ্বরী ও চিকলী নদীর ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করা হবে। পরে এ বিষয়ে উচ্চ মহলে কথা বলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code