হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিনে আলোকিত নুহাশপল্লী  

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual8 Ad Code
আনিসুল ইসলাম, গাজীপুর :
বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে নুহাশপল্লীর কর্মীরা হুমায়ূন আহমেদের ৭২তম জন্মদিনের আনুষ্ঠানিকতার সূচনা করেন। শুক্রবার সকালে জন্মদিনের কেক কেটে, কবরে পুস্পতবক দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে এবং দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে শেষ হয় নন্দিত কথা সাহিত্যিকের জন্মদিন উৎসব। প্রিয় লেখকের জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানাতে শুক্রবার সকাল থেকে ভক্ত শুভান্ধায়ীদের  ঢল নামে নুহাশপল্লীতে। সকাল ১০টার দিকে লেখকের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন দুই পুত্র সন্তানকে নিয়ে হোয়াইট হাউসের পাশে স্থাপিত হুমায়ূন আহমেদের ম্যুরালের সামনে আপেল তলায় হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিনের কেক কাটেন।
নুহাশপল্লীর তত্ত্বাবধায়ক সাইফুল ইসলাম বুলবুল জানান, স্যার বেঁচে থাকতে একবার শরতের জোছনা দেখতে স্যার নুহাশ পল্লীতের এসে ছিলেন। ওই দিন ছিলো স্যারের জন্মদিন। শাওন ম্যাডামের মাথায় পরিকল্পনা ছিলো জন্মদিন উপলক্ষ্যে স্যারকে সারপ্রাইজ দেয়া। সে অনুযায়ী আমাদেরকে নিদের্শনা দিলেন। রাতে হোয়াইট হাউসে স্যার আড্ডা দিচ্ছিলেন। হঠাৎ বিদ্যু চলে গিয়ে অন্ধকারে ডুবে যায় নুহাশ পল্লী। রাত ১২ টা ১ মিনিটে ম্যাডাম স্যারকে নিয়ে ঘরের বাহিরে আসেন। লিচু তলার খোলা আকাশে গিয়ে বসেন। ১২ টা ১ মিনিট বাজতেই জ্বলে উঠে হাজারো মোমবাতি । নুহাশ পল্লীর চারদিকের মাটির দেয়াল, সুইমিংপুল, লিচু তলা, জাপানি বটতলা, বৃস্টি বিলাশ, ভুত বিলাশ, ওষধি বাগান, লিলাবতী দিঘীসহ সর্বত্র জালানো হয়েছিলো মোমবাতি জন্মদিনের আনুষ্ঠানিকতা পছন্দ না করলেও ওই দিন খুশি হয়ে ছিলেন অনেক। এর পর থেকেই আমরা গত ১৬-১৭ বছর ধরে ১ হাজার ১ মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবছর স্যারের জন্মদিনে পালন করি। তাঁর মৃত্যুর পরেও এধারা চলে আসছে।
উল্লেখ্য, সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনার কেন্দুয়া থানার কুতুবপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। দূরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ২০১২ সালের ১৯ জুলাই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে গাজীপুরের নুহাশ পল্লীতে তাকে সমাহিত করা হয়।
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code