

প্রথম রাউন্ডে নেদারল্যান্ডের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক তুলে নেন আয়ারল্যান্ডের পেসার কুর্টিস ক্যাম্ফার। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম আসরে ২০০৭ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম হ্যাটট্রিকের ইতিহাস গড়েন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক তারকা পেসার ব্রেট লি।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন ওয়ানেন্দু হাসারাঙ্গার। তার হ্যাটট্রিকে পরাজয়ের শঙ্কা কাটিয়ে ম্যাচে ফেরা শ্রীলংকা শেষ ওভারে গিয়ে হারে।
শেষ ওভারে জয়ের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার প্রয়োজন ছিল ১৫ রান। লাহিরু কুমারাকে পরপর দুই বলে ছক্কা হাঁকিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন ডেভিড মিলার।
অবশ্য শেষ দিকে ১৮ বলে আফ্রিকার প্রয়োজন ছিল ৩১ রান। ১৫তম ওভারের শেষ বলে এইডেন মার্কওরামকে আউট করেন ওয়ানেন্দু হাসারাঙ্গা। ১৮তম ওভারে বোলিংয়ে এসেই প্রোটিয়া অধিনায়ক টিম্বা বাভুমাকে সাজঘরে ফেরান হাসারাঙ্গা। বাভুমাই ব্যাটিং বিপর্যয়ে দলকে জয়ের স্বপ্ন দেখিয়ে যান। উদ্বোধনীতে নেমে ফেরেন ১৮তম ওভারে। তার আগে করেন ৪৬ বলে ৪৬ রান।
বাভুমাকে আউট করে শ্রীলংকাকে জয়ের স্বপ্ন দেখান হাসারাঙ্গা। ওভারের দ্বিতীয় বলে নতুন ব্যাটসম্যান ডুয়াইন পিটোরিয়াসকে আউট করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন হাসারাঙ্গা। তার দুর্দান্ত বলে দারুণভাবেই খেলায় ফেরে শ্রীলংকা।
কিন্তু শেষ ওভারে লাহিরু কুমারা নিয়ন্ত্রিত বোলিং করতে না পারায় সুযোগ কাজে লাগিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার জয় নিশ্চিত করেন ডেভিড মিলার। ১৩ বলে দুটি ছক্কায় ২৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন ডেভিড মিলার।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
শ্রীলংকা: ২০ ওভারে ১৪২/১০ রান (পাথুম নিশাঙ্কা ৭২, চারিথ আসালঙ্কা ২১; তাবরিজ শামসি ৩/১৭, ডুয়াইন পিটোরিয়াস ৩/১৭)।
দক্ষিণ আফ্রিকা: ১৯.৫ ওভারে ১৪৬/৬ (টিম্বা বাভুমা ৪৬, ডেভিড মিলার ২৩*, এইডেন মার্কওরাম ১৯, রিশি ভেন দার ডুসেন ১৬; ওয়ানেন্দু হাসারাঙ্গা ৩/২০, দুশমন্ত চামিরা ২/২৭)।
ফল: দক্ষিণ আফ্রিকা ৪ উইকেটে জয়ী।