

ডেস্ক রিপোর্ট
ফ্লাইটটি অবতরণের পরপরই বিমানের সহায়ক শক্তি ইউনিট (অক্সিলিয়ারি পাওয়ার ইউনিট বা এপিইউ) থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে।
এয়ার ইন্ডিয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যাত্রীরা নামার সময় এ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। তবে কোনো যাত্রী বা কেবিন ক্রু আহত হননি। স্বয়ংক্রিয় সিস্টেমের মাধ্যমে আগুন শনাক্ত হওয়ার পর এপিইউ বন্ধ হয়ে যায়। খবর এনডিটিভির
এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দুই ইঞ্জিনবিশিষ্ট এয়ারবাস এ৩২১ বিমানের কিছু ক্ষতি হয়েছে। সেটিকে আপাতত গ্রাউন্ডেড রাখা হয়েছে। এই ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়েছে। ভারতের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল অ্যাভিয়েশনকে (ডিজিসিএ) বিষয়টি জানানো হয়েছে।
এরআগে সোমবার (২১ জুলাই) এক প্রতিবেদনে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায় অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেল এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানের ক্রু ও যাত্রীরা। এবার অবতরণের সময় রানওয়ে থেকে ছিটকে গেছে ভারতীয় এই বিমান সংস্থার একটি ফ্লাইট। প্রবল বৃষ্টির মধ্যে ভারতের মহারাষ্ট্রের মুম্বাই বিমানবন্দরে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারী বৃষ্টিতে ভেজা রানওয়েতে অবতরণের সময় ছিটকে পড়েছে কোচি থেকে আসা একটি এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট। সোমবার সকালে মুম্বাইয়ের ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এ দুর্ঘটনায় বিমানের চাকা এবং ইঞ্জিন বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন বিমানটির ক্রু ও যাত্রীরা।
যাত্রীরা সবাই নিরাপদে আছেন বলে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।
এনডিটিভির হাতে আসা ছবিতে দেখা গেছে, বিমানটির পেছনের অংশে কাচের টুকরো আটকে রয়েছে এবং একটি ইঞ্জিনে স্পষ্ট ক্ষতির চিহ্ন রয়েছে। রানওয়েতেও আংশিক ক্ষয়ক্ষতির খবরও মিলেছে।
ঘটনার পর বিমানটিকে গ্রাউন্ডেড করে রাখা হয়েছে এবং বর্তমানে কারিগরি পরীক্ষা চলছে। মুম্বাই বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, “২১ জুলাই সকাল ৯টা ২৭ মিনিটে কোচি থেকে আসা একটি ফ্লাইট রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে। সঙ্গে সঙ্গেই জরুরি ব্যবস্থাপনা দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। বিমানে থাকা যাত্রী ও ক্রু সকলেই নিরাপদে আছেন।’
এছাড়া আরও জানানো হয়, প্রধান রানওয়ে ০৯/২৭-এ কিছু ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। তাই রানওয়ে পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে সেকেন্ডারি রানওয়ে ১৪/৩২ চালু করা হয়েছে। আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার সবসময়ই যাত্রী ও উড়োজাহাজের নিরাপত্তা।”
তবে রানওয়ে আংশিকভাবে বন্ধ থাকায় ফ্লাইট সূচিতে বিলম্ব হবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়