এক পোস্টে ফেসবুকের পক্ষ থেকে বলা হয়, মেটাভার্সের মাধ্যমে নতুন সব সৃজনশীল, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দরজা খুলে যেতে পারে। আর শুরুতে ইউরোপের বাসিন্দাদের হাত ধরেই এটি গড়ে উঠবে।
পোস্টে আরও বলা হয়, ‘আজ আমরা ১০ হাজার নতুন কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা ঘোষণা করছি। সেখানে চাকরির জন্য উচ্চপর্যায়ের দক্ষতা প্রয়োজন। আগামী পাঁচ বছরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর বাসিন্দারা এই চাকরিগুলোতে সুযোগ পাবেন।’
মেটাভার্স প্রযুক্তির নির্মাণে নিয়োগ পেতে যাওয়া দলটি কেমন হবে, তা সম্পর্কে বিশদ জানায়নি ফেসবুক। তবে এটুকু জানিয়েছে, যাঁরা নিয়োগ পাবেন, তাঁদের মধ্যে ‘উচ্চদক্ষতাসম্পন্ন প্রকৌশলীরাও’ থাকবেন।
ফেসবুকের পক্ষ থেকে বলা হয়, ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে একটি বিশাল ভোক্তা বাজার, শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং সেরা মানের মেধাবীরা রয়েছেন। এ সুবিধার কারণে এসব দেশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দারুণ একটি জায়গা।
এদিকে ফেসবুকই শুধু মেটাভার্স প্রযুক্তির পেছনে কোটি কোটি মার্কিন ডলার খরচ করছে না। এ বছরের শুরুতে ‘এপিক গেমস’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান একই ধরনের প্রযুক্তি গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছিল। জনপ্রিয় গেম ‘ফোর্টনাইটের’ নির্মাতা এর মধ্যেই এ জন্য ১০০ কোটি ডলারের তহবিল গঠনের কথা জানিয়েছে।
