১৩. ৮৬ লাখ টাকা করে পাবেন পাটকল শ্রমিকরা

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual6 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট, ইউএসঃ দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলোর আধুনিকায়ন এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একে আরো সক্ষম করে গড়ে তুলতে উৎপাদন বন্ধ করে শ্রমিকদের এককালীন পাওনা পরিশোধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

 

Manual3 Ad Code

এ জন্য বাংলাদেশ জুট মিলস কর্পোরেশনের (বিজেএমসি) ২৫টি রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলে শ্রমিকদের প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার পাওনা পরিশোধ করবে সরকার।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস বলেন, ‘পাটখাতের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ নজর রয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীর দর্শন হচ্ছে পাটকল শ্রমিকদের বাঁচানো।’

 

শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধের ধরন সম্পর্কে তিনি বলেন, পাওনা বুঝিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে যেসব শ্রমিক অনধিক দুই লাখ টাকা প্রাপ্য তাদেরকে পুরো টাকা এককালীন নগদ পরিশোধ করা হবে।

এছাড়া দুই লাখ টাকার বেশি পাওনাদার শ্রমিকরা গড়ে ১৩ দশমিক ৮৬ লাখ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৫৪ লাখ টাকা পাবেন।

Manual5 Ad Code

মুখ্য সচিব বলেন, পাওনা টাকার মধ্যে ৫০ শতাংশ এককালীন নগদ এবং অবশিষ্ট ৫০ শতাংশ শ্রমিকদের ভবিষ্যৎ জীবন-জীবিকা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয় পত্র আকারে পরিশোধ করা হবে।

Manual7 Ad Code

সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমেপ্রাপ্ত আর্থিক সুবিধার বর্ণনা দিয়ে ড. কায়কাউস বলেন, ১১ শতাংশ সুদে প্রত্যেক শ্রমিক প্রতি তিন মাসে সর্বনিম্ন ১৯ হাজার ৩২০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৭৪ হাজার ৫২০ টাকা পর্যন্ত পাবেন।

মুখ্য সচিব বলেন, পাটকল শ্রমিকদের পাওনা টাকা সরাসরি তাদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে। কোন পাটকল অথবা অন্য কোন মধ্যস্বত্বভোগী এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকবে না।

Manual2 Ad Code

পাটকল শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধের লক্ষ্যে আগামী তিন দিনের মধ্যে তাদের তালিকা প্রস্তুত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

পাটকলগুলোর ইতিহাস তুলে ধরে মুখ্য সচিব বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলো গত ৪৮ বছরের মধ্যে শুধু চার বছর লাভের মুখ দেখেছে। ৪৪ বছর ধরে অব্যাহতভাবে মোট ১০ হাজার ৬৭৪ কোটি টাকা লোকসান দিয়েছে।

তিনি বলেন, লোকসান হলে কর্মচারীদের বেতন-ভাতার জন্য সরকারের অর্থের উপর নির্ভর করতে হোত। ফলে প্রতি মাসেই শ্রমিক কর্মচারীদের এ সংক্রান্ত সমস্যা চলছিল।

রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলোর আধুনিকায়ন ও রিমডেলিংয়ের জন্য উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব আওতায় আধুনিকায়ন করে এসব পাটকলকে উৎপাদনমুখী করা হবে। পরে এ কারখানাগুলোতে নিয়োগের ক্ষেত্রে বর্তমান শ্রমিকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

 

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code