২ বছরেও নেই সংযোগ সড়ক

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual2 Ad Code

 

Manual4 Ad Code

মেহেদী হাসান, শরীয়তপুর থেকে ॥
শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলায় ভোজেশ্বর কীর্তিনাশা নদীতে ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নাছির আহম্মেদ আলী শরীয়তপুর এলজিইডি গার্ডার ব্রীজ নির্মান করে। ২ বছরে সংযোগ সড়ক নির্মান না হওয়ায় ৪টি ইউনিয়নের প্রায় ১৫হাজার মানুষ, স্কুল-কলেজর ছাত্র ছাত্রী, কৃষকের কৃষিপণ্য সরবারহ করতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে। কতৃপক্ষের দাবী নতুর প্রযুক্তিতে কাজ হবে বর্ষার কারনে একটু বিলম্ব হচ্ছে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, বৃহত্তর ফরিদপুর গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প-ফেস-১ আওতায় ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে শরীয়তপুর নড়িয়া উপজেলার ভোজেশ্বর- মহিষখোলা সড়কে ৬ শত মিটার চেইনেজের ৯৯ মিটার পিসি গার্ডার ব্রীজ ৯ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে কামার জানি জয়েনভেঞ্জার-আনোয়ারা কনস্ট্রাশন লি: নামে দুইটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নির্মান করে। ব্রীজটি কাজ প্রায় ২ বছর আগে শেষ হলেও ব্রীজটির দুপার্শ্বে (এপ্রোজ) সংযোগ সড়ক না করার কারনে এলাকাবাসি ব্রীজের উপর দিয়ে চলাচল করতে পারছে না। স্কুল কলেজ ছাত্র ছাত্রী, কৃষকরা তাদের উৎপাদিত কৃষিপন্য সবরাহ নিয়ে পড়েছে চরম ভোগান্তিতে। তারা জীবনের ঝুকি নিয়ে (খেয়া) নৌকা দিয়ে চলাচল করছে। এতে বিভিন্ন সময় দুঘর্টনার কবলে পড়তে হয় তাদের। আবার সন্ধ্যার পরে খেয়া অনেক সময় পাওয়া যায় না। আবার পাওয়া গেলেও গুনতে হয় দ্বিগুন টাকা। ভোজেশ্বর বন্দরে সঙ্গে জপসা, নশাসন, রাজনগর, মোক্তারের চর ইউনিয়নের যোগাযোগের জন্য কীর্তিনাশা নদীর উপর নির্মান করা সেতুটি কোন কাজে আসছে না। এত দুর্ভোগ আরো বেড়ে গেছে অর্ধশত গ্রামের বাসিন্দদের।
ভোজেশ^র বাজারের ব্যবসায়ী বাবুল খান বলেন, আমাদের ভোজেশ্বর বাজারে লোকজন তাদের উৎপাদিত কৃষি পন্য সামগ্রী অনেক কষ্ট করে খেয়া পার হয়ে জীবনের ঝুকি নিয়ে এই বাজারে আনে। তাদের অনেক ভোগন্তি হয়। ব্রীজটি চালু হলে লাখ লাখ লোকের দুর্ভোগ লাঘব হবে।
ভোজেশ^র এলাকার ব্যাবসায়ী মালেক সরদার বলেন,বর্তমান সরকার সারা দেশে ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন তারই অংশ হিসাবে ভোজেশ্বর-মহিষখোল কীর্তিনাশা নদীর উপর ব্রীজটি নির্মান করে। কিন্তু বড় দঃখের বিষয় সরকারের কোটি কোটি টাকা ব্যায় হলে ও সংযোগ সড়কের অভাবে আমরা সুবিধা পাচ্ছি না।
জপসা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান আজিজুল হক বলেন , আমাদের শত বছরের পুরানো বন্দর এই ভোজেশ^র বন্দরের জন্য কীর্তিনাশা নদীর উপর ব্রীজটি খুবই গুরুত্বপূর্ন। সংযোগ সড়ক না থাকায় ৪ টি ইউনিয়নের হাজার কৃষক, ছাত্র ছাত্রীদের ও সাধারন মানুষের যাতায়াতে বেশ অসুবিধা হচ্ছে।
শরীয়তপুর এলজি ইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শাজাহান ফরাজী বলেন, সংযোগ সড়ক নির্মানের জন্য জমি অধিগ্রহনের যে সমস্যা ছিল, সেটি ইতোমধ্যে সমাধান হয়ে গেছে। নতুন প্রযুক্তিতে কাজ হবে। বর্তমানে বন্যার কারনে সংযোগ সড়ক নির্মানের কাজে বিলম্বিত হচ্ছে।

Manual7 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code