

ভোলা প্রতিনিধি :
ভোলায় ঝুঁকিপূর্ণ চরের ৪ লাখ মানুষকে অাশ্রয় কেন্দ্র অানছেন জেলা প্রশাসন। ঘূর্নীঝড় আপ্পান মোকাবেলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতির অংশ হিসাবে ভোলার ২১ চরের ৪ লাখ বাসিন্দাকে নিরাপদ আশ্রয়ে আনার কাজ শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে নৌ বাহিনী, নৌ পুলিশ, জেলা পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সহায়তায় মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল থেকেই মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে আনার কাজ শুরু হয়। একই সাথে সাইক্লোন সেল্টারে আশ্রয় নেয়া মানুষের সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করার জন্য অতিরিক্ত ৪০০টিসহ সর্বমোট ১১০৪টি আশ্রয় কেন্দ্র খুলে দেয়া হয়েছে।
ভোলার জেলা প্রশাসক মাসুদ আলম ছিদ্দিক জানান, ঘূর্নিঝড়ের সাবাইকে সতর্ক করার পাশাপাশি নিরাপদে আসতে সিপিপি ১০ হাজার ২০০ সেচ্চাসেবী উপকূলের বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং শুরু করেছেন।প্রশাসন জানান আম্ফান মোকাবিলায় ভোলা জেলার ১১০০ অাশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখাসহ সিপিপি ও রেডক্রিসেন্টের ১০ হাজার ২০০ ভলান্টিয়ারসহ ৯২টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এছাড়াও আশ্রয় কেন্দ্রে মানুষদের জন্য ৩ বেলা খাবারের ব্যবস্থা ছাড়াও নগদ টাকা, শুকনো খাবার ও শিশু খাবার বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
ঘূর্নিঝড়ের আগে, ঘূর্নিঝড় কালীন সময় ও ঘূর্নিঝড় পরবর্তী সকল কাজ সম্পন্ন করার জন্য সকল প্রস্তুতি রয়েছে জেলা প্রশাসন।জেলা রেডক্রিসেন্ট এর যুব প্রধান অাদিল হোসেন তপু ও সদস্য শাহরিয়ার ঝিলন বলেন তারা বিগত যে কোন দূর্যোগ মোকাবেলায় সর্বদা কাজ করেছেন এবং এখন প্রস্তুত রয়েছেন মানুষের সেবা প্রদানের জন্য।ইতিমধ্যে তারা মাইকিং করা সহ প্রত্যেক উপজেলা প্রচার প্রচারনার কর শুরু করে দিয়েছেন সকাল থেকেই।এদিকে বহুমুখি দূর্যোগ অাশ্রয় কেন্দ্রের ( সাইক্লোন সেল্টার) নির্মান প্রকল্পের পরিচালক জাভেদ করিম ইনকিলাবকে জানান তাদের নির্মানকৃত হ্যান্ডওভার করা সকল স্থাপনা খুলে দিয়ে ঘূর্নিঝড় এ ব্যাবহারের করার জন্য সংশ্লিস্ট সকলকে বলা হয়েছে।যাতে মানুষ দূর্যোগের সময় নিরাপদে অাশ্রয় নিয়ে নিরাপদে থাকতে পারে। কোন রকম সমস্যা না হয়।