আস্থার প্রতিক ইউএনও মনিরা পারভীন

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual5 Ad Code

 

Manual4 Ad Code

আমতলী (বরগুনা):

Manual4 Ad Code

এম এ সাইদ খোকন: বরগুনার আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরা পারভীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে আমতলীতে যোগদানের ৬ মাসের মধ্যে বিভিন্ন কর্মকান্ড ও আর্তমানবতার সেবায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করে ইতিমধ্যে তিনি ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছেন।
জানা গেছে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরা পারভীন ২০১৯ সালের ১৩ জুন তারিখে বরগুনার আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। তিনি দায়িত্ব নিয়ে আমতলী উপজেলা প্রশাসনকে নিজের মতো করে ঢেলে সাজান। উদ্যোগ নেন দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত অনিয়ম ও দুর্নীতি দূর করে একটি আধুনিক জনপদ গড়ে তোলার। তার সততা ও কর্মদক্ষতায় ক্রমান্বয়ে বদলে গেছে উপজেলা প্রশাসনিক কার্যক্রম ও সার্বিক চিত্র। সরকারি-বেসরকারি প্রতিটি দপ্তরের কর্মকান্ডে ফিরে এসেছে গতিশীলতা ও স্বচ্ছতা। কমেছে জনভোগান্তি আর বৃদ্ধি পেয়েছে জনসেবার মান।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা পারভীন এ উপজেলাকে একটি উন্নত আধুনিক জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করছেন। নিজের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন ও জনকল্যাণমূলক কাজ করে দক্ষ প্রশাসক হিসেবে সব শ্রেণিপেশার মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন তিনি।
তিনি ভেজালবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। বিভিন্ন হাট-বাজার, বাসস্ট্যান্ড ও পাবলিক প্যালেসে প্রকাশ্যে ধূমপানের বিরুদ্ধে প্রতিমাসে তিনি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। গাঁজা/মাদক বিক্রেতা ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে হুলিয়া জারি করেছেন। তিনি যুবসমাজকে বিপথগামী হওয়া থেকে রক্ষা করতে কাজ করছেন । যা অতীতে কেউ পারেনি। এক কথায় সর্বক্ষেত্রেই রয়েছে এই নারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পদচারণা।
ইউএনও মনিরা পারভীন দাপ্তরিক কাজের বাইরে সকাল-বিকাল ছুটে বেড়ান আমতলীর সব প্রান্তে। কথা বলেন সব শ্রেণির মানুষের সঙ্গে। শোনেন তাদের দুঃখ-কষ্টের কথা। নিয়মিত খোঁজখবর নেন সমাজের অবহেলিত গরিব-দুঃখী মানুষের। তার নজরদারির ফলে পাবলিক পরীক্ষাগুলোয় নকলমুক্ত পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়েছে। তিনি আমতলী উপজেলা পরিষদের মধ্যে থাকা শিশুপার্ক সংস্কার করে শিশুদের খেলাধুলা করার ব্যবস্থা করেছেন। সব কিছু ছাড়িয়ে উপজেলার ০৭টি ইউনিয়নের ও একটি পৌরসভার ০৩ লাখ জনগোষ্ঠীর অভিভাবক হয়ে ওঠা অনেক নারীর পক্ষেই সম্ভব হয়ে ওঠে না। কিন্তু তিনি পেরেছেন। আমতলী উপজেলায় জনবান্ধব প্রশাসন গড়ায় মহীয়সী এ নারী আজ রাজনৈতিকসহ সর্ব মহলে প্রশংসিত।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মো. নাসির উদ্দিন বলেন, এত ভালো ইউএনও আমতলীতে অতীতে দেখিনি। তিনি অসহায় এবং গরিব মানুষের প্রকৃত বন্ধু। অন্যায় এবং অসৎ ব্যক্তিদের কখনো প্রশ্রয় দেয়নি। যার কারণে সাধারণ মানুষ ইউএনও স্যারের ওপর আস্থা পেয়েছেন। উপজেলা পরিষদটাকে দৃষ্টিনন্দনভাবে সাজিয়েছেন তিনি। এক কথায় তিনি একজন সততার প্রতীক।
এ বিষয়ে আমতলী উপজেলা আওয়ামী সিনিয়র সহসভাপতি এ্যাডভোকেট এম এ কাদের মিয়া বলেন, ইউএনও সাহেব গরিব ও অসহায় মানুষের দুঃখের কথা শোনেন এবং তাদের বিভিন্নভাবে আর্থিক সহযোগিতা করেছেন। কেউ বিপদে-আপদে পড়ে তার কাছে গেলে তিনি তাৎক্ষণিক সমাধান করে দিয়েছেন। যার সুফল আমতলীর হাজার হাজার মানুষ ভোগ করছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরা পারভীন বলেন, সত্যি কথা বলতে কি আমাদের চাকরির নির্ধারিত কোনো দায়িত্ব ও কর্তব্য নেই, সুনির্দিষ্ট কোনো পরিধি নেই, জনগণকে সেবা দেয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য। তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে ছকে বাধা দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি জনগণের মঙ্গল হয়, ভালো হয় সেটাই করার চেষ্টা করছি। তবে মাননীয় সাংসদ , জেলা প্রশাসক স্যার এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সাধারণ মানুষের ঐকান্তিক সহযোহিতায় প্রতিটি কাজ করা সহজ বলে আশা করি।

Manual7 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code