শিক্ষার্থীদের বর্হিজগতের জ্ঞান ভান্ডার হতে জ্ঞান আহরণ করতে হবে – রাষ্ট্রপতি

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual1 Ad Code

 

Manual6 Ad Code

দুমকি (পটুয়াখালী) :
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, একবিংশ শতাব্দী তথ্য প্রযুক্তির যুগ। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের এ যুগে বিশ^ প্রতিযোগীতায় টিকে থাকতে হলে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার বিকল্প নেই। বিশ^বিদ্যালয় কেবল শিক্ষার্থীদের পাঠদান করে না, তাদের চিন্তার প্রসারতা বাড়ায়। গবেষনার মাধ্যমে সৃষ্টি করে নতুন জ্ঞানের যা যুগের চাহিদা পূরনে গুরুত্বপূর্ন অবদান রাখে। আমি মনে করি পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয় চতুর্থ শিল্প বিল্পবের গুরুত উপলব্ধি করে পাঠ্য কারিকুলাম যুগোপযোগী করে সাজাবে। আমাদের শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলবে বিশ^ নাগরিক হিসেবে। বুধবার বিকালে (৫ ফেব্রুয়ারী) পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির ভাষনে রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যাঞ্চেলর মো. আবদুল হামিদ এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সমাবর্তন বক্তা ইমেরিটাস প্রফেসর ড. এ কে আজাদ চৌধুরী ও বিশেষ অতিথি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যাঞ্চেলর অধ্যাপক ড. মোঃ হারুনর রশীদ।
শিক্ষার্থীদের উদেশ্যে রাষ্ট্রপতি তাঁর ভাষনে বলেন, জ্ঞানের এ বিশাল রাজ্যে শুধু পাঠ্যপুস্তুক অধ্যয়নে সীমাবদ্ধ থাকলেই চলবে না। পাঠ্যবিষয়ে সাথে সাথে বর্হিজগতের জ্ঞান ভান্ডার হতে জ্ঞান আহরণ করতে হবে। নিজেকে কর্মী ও জ্ঞানী করে তোলাই হবে তোমাদের মূল লক্ষ্য। তোমাদের উচিত ত্যাগ ও সত্যের অভিমুখী হওয়া। সেই সাথে দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করে সুষ্ঠ ও সবল মনের অধিকারী হওয়া। সদাচারন, সদালাপ, উচ্চ চিন্তা ও সহজ জীবনাচারণ তোমাদের প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবে। সেই সাথে থাকতে হবে কল্পনাশক্তি যা মানুষকে বড় করে, ভাবনার জগতকে প্রসারিত করে।
তিঁনি আরও বলেন, শিক্ষা জীবন শেষে তোমরা আজ কর্ম জীবনের পথে পা বাড়াচ্ছো। মনে রাখবে, কর্মজীবন নানা ঘাত-প্রতিঘাতে বিক্ষুব্ধ তরঙ্গের ন্যায়। তোমাদের অর্জিত জ্ঞান, মেধা ও দক্ষতা দিয়ে সেই ঝঞ্ঝা-বিক্ষুব্ধ পথ পাড়ি দেবে। দেশ ও সমাজের প্রতি তোমাদের দায়িত্ববোধ অনেক। মেধা ও কর্মের মাধ্যেমে তোমরা মাতৃভূমির কল্যান করবে, বাংলাদেশকে বিশে^র বুকে উজ্জলভাবে তুলে ধরবে ।
সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি ¯œাতক, ¯œাতকোত্তর ও পিএইচডি ডিগ্রিসহ ৩ হাজার ৭শ ৬ জনকে ডিগ্রি প্রদান করেন। এর মধ্যে শিক্ষা জীবনে অসাধারন কৃতিত্বের স্বীকৃডু স্বরূপ ৬৩ জনকে চ্যান্সেলর স্বর্নপদক প্রদান করা হয়।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০০ সালের ৮ জুলাই দুমকিস্থ পটুয়াখালী কৃষি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে উদ্বোধন করেন। ২০০২ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারী পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয় । ২০১১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারী এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ।

Manual7 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code