

কাঠালিয়া (ঝালকাঠি) :
ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় উপজেলা বিষখালী নদীর তীরবর্তী ৫ কিঃমিঃ বাঁধ আমফানে আঘাতে বিধ্বস্ত হওয়ায় প্রতিদিন জোয়ারের পানি ঢুকে প্লাবিত হচ্ছে গ্রামের পর গ্রামের বাড়ি-ঘর, রাস্তা-ঘাট, ফসলি জমি এবং ভেসে যাচ্ছে জলাশয়ের মাছ। দ্রুত বাঁধ নির্মাণের দাবিতে ক্ষতিগ্রস্থরা আজ শনিবার সকাল ১০ টায় মানববন্ধন করেছেন বিষখালী নদীর তীরে। বাঁধ না থাকায় এবং নদী ভাঙ্গন তীব্র আকার ধারন করায় হুমকির মুখে রয়েছে কাঠালিয়া উপজেলা পরিষদ, আউরা, চিংড়াখালী, জয়খালী, কাঠালিয়া, বড় কাঠালিয়া, আমুয়া বন্দর ও উপজেলা হাসপাতাল ও রঘুয়ারচর এলাকা। যেকোনো সময় নদীর গর্ভে তলিয়ে যেতে পারে এ সকল এলাকা ও স্থাপনাগুলো। স্বাভাবিক জোয়ারে ৩ থেকে ৪ ফুট পানির নিচে তলিয়ে যায় এ এলাকার রাস্তা-ঘাট, ফসলের মাঠ ও জলাশয়গুলো। ঝালকাঠির কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. ফজলুল হক জানান, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ১৭ কোটি ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে ৫ কোটি টাকার ফসলের ক্ষতি হয়েছে। ওই ক্ষতি পুষিয়ে ওঠার আগেই আবারো নদীর পানি বেড়ে গেছে। যেটুকো ফসল ভালো ছিলো, তাও নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বদিউজ্জামান বদু, বিআরডিপি’র চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ কাওসার আহমেদ জেনিভ সিকদার, সাবেক কৃসি কর্মকর্তা মোঃ কবির সিকদার, জেলা ইসলামী আনন্দোলনের সহ-সভাপতি ইনঞ্জিনিয়ার মাওলানা আহসান উল্লাহ খান সবুজ, জেলা পরিষদ সদস্য মোঃ সাখওয়াত হোসেন অপু সিকদার প্রমুখ। মানববন্ধনকারীদের একটিই দাবি সরকার দ্রুত সময়ের মধ্যে কাঠালিয়ার বিষখালী নদী শাসন করে বাধ নির্মাণ করবেন।