

সম্পাদকীয়: করোনার কারণে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসেনি। ফলে গ্রাহকদের ঋণ পরিশোধের সক্ষমতাও কমছে। কিস্তি পরিশোধ করতে না পারলেই নির্ধারিত সময় পর তা খেলাপি হবে। কোনো ঋণ খেলাপি হওয়ার উপক্রম হলে তা স্পেশাল ম্যানশন অ্যাকাউন্ট বা এসএমএতে স্থানান্তর করে বিশেষ তদারকি করা হয়, যাতে ঋণটি খেলাপি না হয়। গতকাল যুগান্তরে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশে বর্তমানে সাড়ে ৪৪ হাজার কোটি টাকা এসএমএতে রয়েছে। এ বিপুল পরিমাণ ঋণ আদায়ে বিশেষ পদক্ষেপ নেয়া দরকার। এরই মধ্যে দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ হানা দিয়েছে। এ কারণে আইএমএফ এসব ঋণকে খেলাপি হিসেবেই বিবেচনা করে থাকে। আইএমএফের এ বিবেচনাও গুরুত্বের দাবি রাখে। সবদিক বিবেচনা করে খেলাপি ঋণের ঊর্ধ্বগতি থামাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ বাণিজ্যিক ব্যাংক ও উদ্যোক্তাদের বিশেষভাবে সতর্ক হতে হবে। খেলাপি ঋণ শুধু ব্যাংকিং খাতে নয়, দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতেই ঝুঁকি তৈরি করছে। মাত্রাতিরিক্ত খেলাপির প্রভাব পড়ছে ঋণ ব্যবস্থাপনায়। এতে এগোতে পারছেন না ভালো উদ্যোক্তারা। পরিণামে বাড়ছে না বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান।