রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী মিতা হক আর নেই

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual2 Ad Code

বিনোদন ডেস্কঃ  বরেণ্য রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী মিতা হক আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। আজ রবিবার (১১ এপ্রিল) সকাল ৬টা ২০ মিনিটে রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি।

মিতা হকের ননদাই শিল্পী সোহরাব উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সোহরাব উদ্দিন জানান, গত ৩১ মার্চ করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হন মিতা হক। একপর্যায়ে করোনা থেকে সেরে উঠে হাসপাতাল থেকে বাসায় চলে আসেন। তিনি কিডনি রোগে ভুগছিলেন। একারণে তাঁর ডায়লাইসিস করতে হতো। গতকাল শনিবার (১০ এপ্রিল) ডায়লাইসিসের সময় তাঁর প্রেসার ফল করে। এর পর বাসায় নেওয়ার পরও আবার তাঁর প্রেসার ফল করলে আবারো হাসপাতালে নেওয়া হয় তাঁকে। এসময় চিকিৎসকরা জানান, মিতা হক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন। এরপর ভেন্টিলেশনে রাখা হয় তাঁকে। একপর্যায়ে আজ রবিবার সকালে চিরদিনের জন্য বিদায় নিলেন তিনি।

Manual2 Ad Code

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কেরানীগঞ্জে মিতা হকদের আদি বাড়িতে তাঁকে দাফন করা হবে।

শিল্পী মিতা হক ১৯৬৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি প্রথমে তাঁর চাচা ওয়াহিদুল হক এবং পরে ওস্তাদ মোহাম্মদ হোসেন খান ও সনজীদা খাতুনের কাছে গান শেখেন। ১৯৭৪ সালে তিনি বার্লিন আন্তর্জাতিক যুব ফেস্টিভালে অংশ নেন। ১৯৭৬ সাল থেকে তিনি তবলা বাদক মোহাম্মদ হোসেন খানের কাছে সংগীত শেখা শুরু করেন। ১৯৭৭ সাল থেকে নিয়মিত তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারে সংগীত পরিবেশনা করেছেন।

Manual1 Ad Code

২০১৬ সালে শিল্পকলা পদক লাভ করেন মিতা হক। এরপর কবি রবীন্দ্রনাথের ১৫৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁকে বাংলা একাডেমির রবীন্দ্র পুরস্কার দেওয়া হয়। একই বছর চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত ‘রবি-চ্যানেল আই রবীন্দ্রমেলা’য় রবীন্দ্রসংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে মিতা হককে সম্মাননা দেওয়া হয়। ২০২০ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে একুশে পদকে ভূষিত করে।

Manual7 Ad Code

মিতা হক অভিনেতা-পরিচালক খালেদ খানের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। খালেদ খান ২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। এই দম্পতির ফারহিন খান জয়িতা নামে এক কন্যা সন্তান রয়েছে।

Manual6 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code