

এম এ রহিম,বেনাপোল:-
দেশে করোনা সু রক্ষাসহ মানুষের মধ্যে আতংক রোধে বেনাপোলে প্রশাসনসহ বন্দর ব্যাবহারকারী বিভিন্ন সংগঠনের সাথে জরুরী মতবিনিময় সভা করেছেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার ইসমাইল হোসেন। সভায় ভারত থেকে ব্লাক ফাঙ্গাস ও করোনা ভেরিয়েন্ট প্রবেশ রোধে সর্বচ্ছ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এজন্য বন্দর ব্যাবহারকারী সিএন্ডএফ এজেন্ট,ষ্টাফ এসোসিয়েশন,ট্যান্সপোর্ট ও বন্দর কাষ্টম সহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রায় ৭হাজার মানুষকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকাদানের আওতায় আনার ঘোষনা দেন তিনি।
ভারতীয় ভেরিয়েন্ট ও ব্লাক ফাঙ্গাস যাতে প্রবেশ করতে না পারে এজন্য ভারত ফেরা পাসপোর্ট যাত্রীদের বাধ্যতামুলক১৪দিনের কোয়ারেনটাইন এবং ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভারও হেলপারদের নজরদারীতে চৌকস সিকিউরিটি টিম গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হযেছে।
বেনাপোল প্যাসেজ্ঞার টার্মিনাল কনফারেন্স রুমে বুধবার সন্ধায় অনুষ্টিত মতবিনিময় সভায় উপস্তিত ছিলেন,কাষ্টম কমিশনার আজিজুর রহমান,জেলা প্রশাসক তামিজুল ইসলাম খান,পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়াদার,৪৯ বিজিবির সিও লে: কর্নেল সেলিম রেজা,এ এসপি জুযেল ইমরান,বন্দর উপ পরিচালক আব্দুল জলিল,মামুন তরফদার,জেলা সিভিল সার্জন আবু শাহিন,উপজেলা নির্বাহি অফিসার আলিফ রেজা,এ্যসিল্যান্ড রাসনা শারমিন মিথি,ডা: ইউছুপ আলম,ওসি মামুন খান প্রমুখ।বিভাগীয কমিশনার বন্দর কাষ্টম ও ইমিগ্রেশন এলাকা ঘুরে দেখেন। বিভিন্ন বিষয়ে খোজ খবর নেন। বেনাপোলসহ দেশব্যাসিকে আতংকিত না হওয়ায় আহব্বান জানান তিনি। তবে দেশে করোনা মোকাবেলায় সবার টিম ওয়ার্ককে সাফলতায় প্রশংসা ও ধন্যবাদ জানান।
উল্লেখ্য, ২৬ এপ্রিল থেকে সীমান্ত বন্ধ ঘোষনার পর বিশেষ ব্যাবস্থায় বেনাপোল ইমিগ্রেশন দিয়ে গত একমাসে দেশে ফিরেছে ভারতে আটকে পড়া ৩৭১৬জন যাত্রী। এদের মধ্যে ১৭জন করোনা পজেটিভ রয়েছে। ৭৭১জনকে বেনাপোলের বিভিন্ন হোটেলে কোয়ারেনটাইন করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৫জনের দেহে করোনা পজেটিভ পাওয়া গেছে। ফলে নতুন করে আতংক ছড়াচেছ বেনাপোলে।
দেশকে করোনা মুক্ত করতে সব ধরনের ব্যাবস্থ্যা গ্রহনের আশ্বাস দেন বিভাগীয় কমিশনার ইসম্ইাল হোসেন।