

নিউজ ডেস্কঃ
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, করোনা ইস্যুতে কোনো ঝুঁকি নেওয়া যাবে না। যখন যে এলাকায় সংক্রমণ বাড়বে স্থানীয়ভাবে সে এলাকা ‘ব্লক’ করে দিতে হবে।’ সংক্রমণ রোধে সবাইকে মাস্ক পরার আহ্বান জানিয়ে তিনি এ ক্ষেত্রে প্রশাসনকে তৎপর হওয়ার নির্দেশনা দেন।
সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ভার্চুয়াল মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে তিনি এসব নির্দেশ দিয়েছেন বলে বিকেল সাড়ে ৩টায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের জানান।
করোনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কোনো নির্দেশনা আছে কিনা এমন প্রশ্নে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলছেন যে, এখন থেকে বলে দাও স্থানীয় মাঠ প্রশাসনের সবাইকে অথরিটি দিয়ে দেওয়া হলো। ইতোমধ্যে আমরা চিঠিতে বলে দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী আবার স্মরণ করিয়ে দিতে বলেছেন। কোনো রকম রিস্ক না নিতে। যে স্থানে করোনা পরিস্থিতি ভালো নয় মনে করবেন স্থানীয় প্রশাসন সেখানে যেন ব্লক করে দিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করে।
লকডাউন নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত আছে কিনা-এ প্রশ্নে তিনি বলেন, এটা নিয়ে এখনও কোনো আলোচনা নেই। এটা আরও দুই দিন সময় আছে। বিধিনিষেধ কি বৃদ্ধি করা হতে পারে? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, দেখা যাক কী হয়।
লকডাউনে সরকারি সব অফিস কেন খোলা রয়েছে? এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আমরা লোকবল ভাগ করে নিয়েছি। আমাদের অর্ধেকের বেশি আসে না। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, করোনা নিয়ে মোটামুটি আলোচনা হয়ে গেছে। মিটিং ছাড়াও আলাপ হয়। ইতোমধ্যে আমরা স্থায়ীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা এবং জনপ্রতিনিধি যারা আছেন বা আর্মড ফোর্সেস বা ‘ল’ এজেন্সিজ সবাইকে বলে দিয়েছি তারা স্থানীয়ভাবে বসে, যদি দেখেন কোনো এলাকায় সংক্রমণ বেশি হচ্ছে সেই এলাকায় ইমফোর্স করা, ট্রিটমেন্ট বেশি দেওয়া বা লকডাউন যেটা তারা মনে করবে সেভাবে। কারণ পুরো দেশ তো এখন একভাবে স্প্রেড করছে না।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুরে করোনা সংক্রমণ একটু বেড়েছে। আবার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যশোরে কিছুটা কমেছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রথম দিককার চেয়ে বর্তমানে কমতে শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রীসহ এটা সরকারেরই সিদ্ধান্ত, যদি উনারা মনে করেন কোনো এলাকা ব্লক করে দেবেন সেটা স্থানীয়ভাবে সবাই মিলে আলোচনা করে ব্লক করে দিতে পারবেন। চীন-রাশিয়ার টিকার বিষয়ে এক প্রশ্নে তিনি বলেন, আলোচনা চলছে, দেখা যাক। এটা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানাবে।