মিয়ানমারে সহিংসতা বন্ধে জাতিসঙ্ঘ নিরাপত্তা পরিষদের আহ্বান

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual7 Ad Code

নিউজ ডেস্কঃ জাতিসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ মিয়ানমারে ছড়িয়ে পড়া সহিংসতা বন্ধের জন্য আহ্বান জানিয়েছে। বুধবার প্রকাশিত নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্যের এক যৌথ বিবৃতিতে এই আহ্বান জানানো হয়। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

Manual2 Ad Code

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা মিয়ানমারজুড়ে নতুন করে ছড়িয়ে পড়া সহিংসতার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ জানাচ্ছে। তারা আহ্বান করছে অবিলম্বে সহিংসতা বন্ধ এবং বেসামরিক জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার।’

মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলীয় চিন প্রদেশে সামারিক জান্তাবিরোধী বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সামরিক বাহিনীর সম্ভাব্য এক অভিযানের পরিপ্রেক্ষিতে এই বিবৃতি এলো।

Manual3 Ad Code

চিন প্রদেশে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী অতিরিক্ত সৈন্য ও অস্ত্র মোতায়েন করলেও এই বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

Manual7 Ad Code

১৫ সদস্যের ঐক্যমতে ব্রিটেনের প্রস্তুত করা এই বিরল বিবৃতিতে বলা হয়, ‘নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা মিয়ানমারে ১ ফেব্রুয়ারিতে জারি করা জরুরি অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে দেশটিতে ঘটনাপ্রবাহের বিষয়ে আবারো উদ্বেগ জানিয়েছে। সাথে সাথে তারা আহ্বান করছে, সামরিক বাহিনী যেন সর্বোচ্চ সংযমের অনুশীলন করে।’

এতে আরো বলা হয়, ‘তারা (নিরাপত্তা পরিষদ সদস্যরা) মিয়ানমারের জনগণের ইচ্ছা ও স্বার্থের ভিত্তিতে সংলাপ ও মীমাংসার জন্যই উৎসাহিত করছে।’ ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের পর নিরাপত্তা পরিষদের বেশিরভাগ দেশ এর নিন্দা জানিয়ে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত কর্তৃপক্ষের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের আহ্বান জানায়। অন্যদিকে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য চীন এর বিপরীতে মিয়ানমারের ঘটনাপ্রবাহকে দেশটির অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে বিবৃতি দিয়েছিলো।

Manual2 Ad Code

১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী তাতমাদাও দেশটিতে সেনা অভ্যুত্থান ঘটায় এবং প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট ও স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চিসহ রাজনৈতিক নেতাদের গ্রেফতার করে। সাথে সাথে দেশটিতে এক বছরের জন্য জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। পরে ১ আগস্ট জরুরি অবস্থার মেয়াদ ২০২৩ সালের আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানোর ঘোষণা দেন জান্তা প্রধান জেনারেল মিন অং লাইং। গত বছরের নভেম্বরে দেশটিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে বিতর্কের জেরে এই অভ্যুত্থান ঘটায় সামরিক বাহিনী।

সেনা অভ্যুত্থানের প্রতিবাদে ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে মিয়ানমারের বিভিন্ন শহরেই বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীরা অং সান সু চিসহ বন্দী রাজনৈতিক নেতাদের মুক্তির পাশাপাশি সামরিক শাসন প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছেন। শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হওয়া অহিংস বিক্ষোভকে

গত ৭ সেপ্টেম্বর মিয়ানমারের জান্তাবিরোধী ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট দেশের সাধারণ মানুষকে সামরিক জান্তার আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে সর্বাত্মক যুদ্ধের ঘোষণা দেয়। মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী নিহতের এই সংখ্যা অস্বীকার করে আসছে এবং সংঘর্ষে বিপুল সৈন্য নিহত হওয়ার কথা জানিয়েছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code