

নিউজ ডেস্কঃ
বিশ্ব জুড়ে ক্রমেই আতঙ্ক বাড়াচ্ছে করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন। করোনার দুটি টিকা নিয়েও ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছে অনেকে। নোভাভ্যাক্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে ২০২২ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ওমিক্রনের বিস্তার রোধ করতে টিকা তৈরি শুরু করবে সংস্থাটি। খবর রয়টার্সের।
নতুন ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে বিশ্বের কোন টিকা কতটা কার্যকর তা এখনও পরীক্ষার পর্যায়ে রয়েছে। নোভাভ্যাক্স জানিয়েছে যে যারা নোভাভ্যাক্সের টিকা নিয়েছেন এমন ব্যক্তিদের দেহে তৈরি অ্যান্টিবডি এই ভ্যারিয়েন্টকে নিষ্ক্রিয় করতে পারছে কি না তা গবেষণা করে দেখা হচ্ছে।
নোভাভ্যাক্স আরও বলেছে যে এটি একটি ওমিক্রন-এর স্পাইক প্রোটিনের মতো অ্যান্টিজেন তৈরি করা শুরু করেছে। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে একটি নতুন টিকার পরীক্ষাও শুরু করবে। বিশ্বে ব্যবহৃত সব টিকাই যে সুরক্ষা দিচ্ছে ওমিক্রণের বিরুদ্ধে এ তথ্য পাওয়া যায়নি এখনও। ওমিক্রন উদ্বেগ নিয়ে বিশ্বব্যাপী জারি রয়েছে সতর্কতা।
তবে শুধু নোভাভ্যাক্স নয়, ফাইজার- মডার্নার মতো টিকা প্রস্তুতকারী সংস্থারাও ওমিক্রণ রুখতে কোভিড শট তৈরির কাজ শুরু করেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, করোনার ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের প্রাথমিক প্রমাণ থেকে জানা যায় যে এই প্রজাতি পুনরায় সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। অর্থাৎ, যাদের আগে করোনা হয়েছিল তাদের দেহে ওমিক্রন সহজে আবার সংক্রমিত হতে পারে।