সিলেটবাসীকে ওয়াকওয়ে করে দিল ভারত সরকার

লেখক:
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual2 Ad Code

মো. সাহেদুজ্জামান, সিলেট অফিস  ::    আধ্যাতিক রাজধানী সিলেট নগরীকে এক সময় বলা হতো ‘দিঘীর শহর’। পুরো শহরের আনাছে কানাছে ছিল দিঘী আর দিঘী। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অধিকাংশ এলাকায় বিশাল আকৃতির দিঘী থাকায় ওই সব দিঘীর নামেই নামকরণ হয়েছে পাড়া-মহল্লার। এখন মহল্লার পরিচিতি থাকলেও বেশিরভাগ দিঘীর কোনও অস্তিত্ব নেই। তবে এবার ছয় একরের ধোপাদিঘী সংস্কারের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে নান্দনিক রূপ। ভারত সরকারের অর্থায়নে দিঘীর চারপাশে নির্মাণ করা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন ওয়াকওয়ে। বাঁধানো হয়েছে একাধিক ঘাঁট। স্থাপন করা হয়েছে লাইট।

শনিবার ধোপাদিঘীর এই নান্দনিক ওয়াকওয়ের উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য ড. একে আবদুল মোমেন এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী।

 

Manual1 Ad Code

Manual5 Ad Code

জানা যায়, সংস্কারের কাজ শুরুর পূর্বে ঐতিহ্যবাহী এই দিঘীতে পানি ছিল ৩ দশমিক ৪১ একর জায়গাজুড়ে। চারপাশে দখল হওয়া জায়গা উদ্ধারের পর পানির সীমানা বেড়ে কমপক্ষে ৩ দশমিক ৭৫ একরে উন্নীত হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রমতে, এক সময় সিলেটের পুরনো কারাগারের পাশের দিঘীটিতে স্থানীয় ধোপারা কাপড় ধোয়ার কাজ করতেন। এ থেকেই নাম হয় ধোপাদিঘী, আর এলাকার নাম হয় ধোপাদিঘীরপাড়।

দিঘীটি সংরক্ষণ ও সৌন্দর্যবর্ধনের লক্ষ্যে ভারত সরকারের অর্থায়নে ‘বিউটিফিকেশন অব ধোপাদিঘী’ প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০১৮ সালে। প্রকল্পের অধীনে দিঘী খনন, চারপাশে দৃষ্টিনন্দন ওয়াকওয়ে নির্মাণ, রেলিং ও লাইটপোস্ট বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।

প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে ২০১৮ সালের শেষদিকে ধোপাদিঘী দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালায় সিটি করপোরেশন। ২০২০ সালের জুনে প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতির কারণে কাজে ধীরগতি দেখা দেয়।

২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে পুরোদমে শুরু হয় প্রকল্পের কাজ। প্রকল্পে ভারত সরকার ২১ কোটি ৮৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা অর্থায়ন করে।

Manual2 Ad Code

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মিসবাহ উদ্দিন চৌধুরী, সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান, সিসিকের কাউন্সিলর মোহাম্মদ তৌফিক বকস, সালেহ আহমদ সেলিম, মখলিছুর রহমান কামরান, আজম খান, ইলিয়াসুর রহমান, আফতাব হোসেন খান, রাশেদ আহমদ, রকিবুল ইসলাম ঝলক, আব্দুল মোনিম, সিকন্দর আলী, আব্দুল মুহিত জাবেদ. তারেক উদ্দিন তাজ ও এসএম শওকত আমীন তৌহিদ। সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব নূরে আলম সিদ্দীকি, সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিধায়ক রায় চৌধুরী, সিলেট বিভাগীয় কমিশনার ড. মোশারফ হোসেন, সিলেট জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান, ডিআইজি প্রিজন কামাল হোষেন, সিলেট মহানগর পুলিশের উপ কমিশনার উত্তর আজবাহার আলী প্রমুখ।

Manual6 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code