

ডেস্ক নিউজ: স্বচ্ছ-সুন্দর ও পঙ্কিলতাহীন জীবন-যাপনে বিয়ের গুরুত্ব অপরিসীম। বিয়ে সুস্থ সমাজ নির্মাণের অন্যতম ভিত্তি। জীবনের গুরুত্বপূর্ণ এই বিধান পালনে নবীজির সুন্নত অনুসরণ করা জরুরি। এতে বরকত ও জীবন সুখের হয়। সুন্নত আদায়ের সওয়াব হয়। অন্যথায় বর-কনে এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে রবকত শূন্য থেকে যেতে হয়।
বিয়ের জন্য কোনও পাত্রী পছন্দ হলে, শরিয়তসম্মত ও সুন্নত পন্থায় অগ্রসর হতে হবে। এক্ষেত্রে প্রথমেই দ্বীনদারিকে প্রাধান্য দিতে হবে। ইমাম আহমদ বিন হাম্বল (রহ.) বলেছেন, ‘কোনো পুরুষ যদি কোনও নারীকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়, তাহলে সর্বপ্রথম তার সৌন্দর্য সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবে। যদি এ ব্যাপারে তার প্রশংসা করা হয়, তাহলে তার দ্বীন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবে। দ্বীনের ক্ষেত্রে যদি প্রশংসিত হয়, তাহলে বিয়ে করবে; অন্যথায় দ্বীনের কারণে প্রত্যাখ্যান করবে।
কিন্তু এমনটি করা ঠিক নয় যে— প্রথমেই দ্বীন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবে, আর এ ক্ষেত্রে প্রশংসনীয় হলে সৌন্দর্য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবে; এরপর সৌন্দর্যের ব্যাপারে প্রশংসনীয় না হলে— ফিরিয়ে দেবে। তাহলে এ প্রত্যাখ্যান হবে সৌন্দর্যের কারণে; দ্বীনের কারণে নয়।’ -(শরহু মুনতাহাল ইরাদাত, লিল-ইমাম বুতি : ২/৬২১)