

লন্ডন প্রতিনিধি: ২০২২ সালে যুক্তরাজ্যের রাজনীতি প্রধানত আবর্তিত হয়েছে জ্বালানির দাম কেন্দ্র করে। করোনা মহামারীর পরে চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সারাবিশ্বেই জ্বালানির দাম বেড়ে যায়। তবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ সে গতিতে অন্যরকম মাত্রা যোগ করে, যার প্রভাব ব্যাপকভাবে পড়ে ব্রিটিশ রাজনীতিতে।
জ্বালানি বা বিদ্যুৎ সংক্রান্ত বিল ও চলমান অর্থনৈতিক সংকট থেকে উত্তরণের কৌশল ও প্রতিশ্রুতি নিয়ে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টিতে নেতৃত্বের লড়াই দেখা দেয়। এমনকি, পরিস্থিতি সামাল দিতে লিজ ট্রাসকে বাদ দিয়ে একই দলের ঋষি সুনাককে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেওয়া হয়।
বিশ্বের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক সংবাদমাধ্যম দ্য ইকোনমিস্ট বলছে, ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে ইউরোপের অধিকাংশ দেশের মতো, যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের জন্যও এবারের শীত দীর্ঘ, কষ্টদায়ক ও ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে। বাধ্য হয়ে উচ্চমূল্যে জ্বালানি কিনতে বাধ্য হচ্ছেন দেশটির সাধারণ লোকজন।
তবে ধারণা করা হচ্ছে, শীত শেষে জ্বালানির দাম স্বাভাবিক রাখতে আগামী বছর থেকে দেশীয় সরবরাহ সম্প্রসারণের দিকে মনোযোগ দেবে যুক্তরাজ্য সরকার। মূলত, ২০২২ সালে যুক্তরাজ্য সরকার শক্তি-নিরাপত্তাবিষয়ক কৌশল প্রকাশ করেছিল, তা পরবর্তী তিন দশকের জন্য নতুন জ্বালানি অবকাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনা তুলে ধরে। এসব পরিকল্পনার বাস্তবায়ন শুরু হবে ২০২৩ সালে।