কীভাবে ভাষাসৈনিকদের চিনবে নতুন প্রজন্ম

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual8 Ad Code

বিশেষ প্রতিবেদন: মায়ের ভাষার অধিকার আদায়ে ১৯৫২ সালে আন্দোলনে নেমেছিল বাঙালি জাতি। সেই আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন নীলফামারীর প্রগতিশীল ছাত্র-যুবক, শিক্ষক ও রাজনৈতিক কর্মীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ। তবে এই আন্দোলনের ৭১ বছর পেরিয়ে গেলেও তাদের স্মৃতিরক্ষায় জেলায় কোনও স্মারক ও স্থাপনা নির্মাণ হয়নি। নতুন প্রজন্মের অনেকে ভাষাসৈনিকদের চেনেন না। কীভাবে ভাষাসৈনিকদের চিনবে নতুন প্রজন্ম, এমন প্রশ্ন সুশীল সমাজের।

Manual7 Ad Code

সুশীল সমাজের লোকজন ও স্থানীয়রা বলছেন, ভাষা আন্দোলনের সময় সারা দেশের মতো উত্তাল হয়ে উঠে উত্তরের জনপদ নীলফামারী। সেসময় আবু নাজেম মো. আলী, খয়রাত হোসেন, দবির উদ্দিন আহমেদ, সামছুল হক ও শফিয়ার রহমানের নেতৃত্বে ছাত্র-শিক্ষক ও জনতা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ভাষা-সংগ্রামে। তাদের অনেকে বেঁচে নেই। ফেব্রুয়ারি মাস এলেই ভাষাসৈনিকদের স্মরণ করা হয়। গঁৎবাধা কিছু অনুষ্ঠান পালিত হলেও আর কোনও আলোচনায় থাকেন না দেশের সূর্যসন্তানরা। ফলে নতুন প্রজন্ম জানতে পারছে না, ভাষাসৈনিকদের অবদানের বিষয়ে। তাদের স্মরণীয় করে রাখতে স্থানীয় পর্যায়ে নেই কোনও উদ্যোগ। নেই কোনও মূল্যায়ন।

প্রয়াত ভাষাসৈনিক সফিয়ার রহমানের ছেলে এনায়েতুর রহমান বলেন, ‌‘মাতৃভাষা বাংলার জন্য বাবা কারাভোগ করেছিলেন, নির্যাতন সহ্য করেছিলেন। অথচ এখন তার কোনও মূল্যায়ন নেই। নতুন প্রজন্ম জানে না নীলফামারীর ভাষাসৈনিক কারা। তাদের স্মরণীয় করে রাখতে ভাষাসৈনিকদের নামে সড়ক, স্থাপনার নামকরণ এবং স্মৃতিস্মারক নির্মাণের দাবি জানাই। তাদের প্রাপ্ত সম্মানটুকু দেওয়ার অনুরোধ জানাই। তাহলে বাবাসহ ওই চার ভাষাসৈনিকের আত্মা শান্তি পাবে। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, ভাষাসৈনিকদের স্মৃতিরক্ষায় যাতে উদ্যোগ নেওয়া হয়।’
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জেলা শহরে ভাষাসৈনিক ও সাবেক মন্ত্রী খয়রাত হোসেনের নামে কেবল থানা পাড়ায় একটি সড়ক ও পৌরসভার একটি মার্কেটের নামকরণ করা হয়েছে। তবে এসব স্থাপনা এখন অন্য নামে চেনেন স্থানীয়রা। কারণ মার্কেটে নামফলক নেই। ফলে খয়রাত হোসেন মার্কেট নামে পরিচিতি না পেয়ে, তা পৌর মার্কেট নামে পরিচিতি পেয়েছে। বাকিদের নামে এখনও কোনও স্থাপনা নির্মাণ বা নামকরণ হয়নি।

Manual1 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code