

ডেস্ক রিপোর্ট: সারা বিশ্বে শেরিল স্যান্ডবার্গ এমনিতেই বিখ্যাত। নতুন করে আলোচনায় এসেছেন ফেসবুকের (মেটা) প্রধান পরিচলন কর্মকর্তার পদ থেকে পদত্যাগ করার ঘোষণার কারণে। জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে কাজ করেছেন টানা ১৪ বছর। নিজের ফাউন্ডেশন ও জনকল্যাণমূলক কাজে সময় দিতে চান। তাই পদত্যাগ করছেন বলে জানান শেরিল। ইস্তফার ঘোষণায় শেরিল বলেন, ২০০৮ সালে যখন দায়িত্ব নিয়েছিলাম। তখন ভেবেছিলাম পাঁচ বছর থাকব। কিন্তু ১৪ বছর পর জীবনের আরেক অধ্যায় লেখার সময় এখন।
ডিজিটাল বিজ্ঞাপন ব্যবসার কারিগর হলেন শেরিল। তার ইস্তফা প্রসঙ্গে মার্ক জাকারবার্গ বলেছেন, কর্মময় যুগের ইতি হবে। বিশ্বের লাখো মানুষের কাজের সুযোগ তৈরি করেছেন শেরিল। নতুন দুনিয়া ‘মেটা’র উদ্ভাবনের পেছনে শেরিলই প্রধান সঞ্চালক।
২০০৮ সাল থেকেই শেরিল দক্ষ জনবল তৈরি ও সাধারণ স্টার্টআপকে চূড়ান্ত সফল করতে অবিরাম পরিশ্রম করেছেন। ডিজিটাল কনটেন্ট দুনিয়ায় যে বিপ্লব তার ‘ক্রিয়েটর’ বলা হয় শেরিলকে। বিশ্বে শুধু ‘শেরিল’ নামেই জনপ্রিয়। পুরো নাম শেরিল স্যান্ডবার্গ। জন্ম ১৯৬৯ সালের ২৮ আগস্ট। জন্মেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন শহরে। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক। কাজ করেছেন ফেসবুকের চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) পদে। সিলিকন ভ্যালির প্রযুক্তি নির্বাহীদের মধ্যে শেরিল অন্যতম। রাজনীতিতে ডেমোক্র্যাটিক দলের সমর্থক।
ব্যক্তি জীবনে দুই সন্তানের মা। এক ছেলে এক মেয়ে। তাদের ঘিরে শেরিলের অন্তহীন স্বপ্নযাত্রা। তার ছেলে এবং মেয়ে দুজনেই তাদের পরিবারে এবং বাইরে সমান দায়িত্ব পালন করবে-এমনটাই প্রত্যাশা। কাজ আর সংসারের ভারসাম্য করে কীভাবে তারা চলবে, তা যথাযথভাবে উপলব্ধি করতে শেরিল সব সময়ই সন্তানদের সময় দেন। জীবনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য কী বেছে নেওয়া যায়-প্রতিযোগিতা না অন্যের সফলতার পিছু। এসব এড়িয়ে চেষ্টা করে যাওয়া উচিত শেষ অবধি। যতক্ষণ না কেউ তার অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছতে পারছ ততক্ষণ অবধি চেষ্টা কর, যতক্ষণ না এমন একটা কাজ পাচ্ছ, যা তোমার ও সবার জন্য জরুরি ও কল্যাণকর।
কর্মযোগে সুদক্ষতাকে ঢেলে দিতে হবে। দিনশেষে সাফল্য নিশ্চিত হবেই। সবাই সফলতার দিকে মুখিয়ে থাকে। সফলতা অনেক বড় একটি চ্যালেঞ্জ। শুধু ভয় কাটিয়ে নিজের কাছে থাকা দায়িত্বের প্রতি সুনজর দিলেই সাফল্য ধরা দেবেই।