

লন্ডন অফিস: নাইজারে অভ্যুত্থানের পর পশ্চিমাদের প্রতি ক্রমবর্ধমান শত্রুতাপূর্ণ মনোভাবের প্রদর্শন হিসেবে এক ব্যবসায়ী গর্বের সঙ্গে নিজের গায়ের পোশাক রাশিয়ার পতাকার রঙের সঙ্গে মিলিয়ে তৈরি করেছেন। এলাকাটি উৎখাত হওয়া প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বাজুমের ঘাঁটি বলে পরিচিত।
অভ্যুত্থানের পর থেকে নাইজারের সেনাবাহিনী ও পশ্চিমাদের মধ্যে কথার লড়াই শুরু হয়েছে। ইসলামি জঙ্গিবাদবিরোধী লড়াইয়ে পশ্চিমাদের একজন ঘনিষ্ঠ মিত্র ছিলেন বাজুম। একই সঙ্গে তিনি ছিলেন একজন শক্তিশালী অর্থনৈতিক অংশীদার।
নাইজারে ফ্রান্সের একটি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে এবং দেশটি বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম ইউরেনিয়াম উৎপাদনকারী। এই জ্বালানি পারমাণবিক বিদ্যুতের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। এসব ইউরেনিয়ামের এক-চতুর্থাংশ ইউরোপ যায়, বিশেষ করে সাবেক উপনিবেশিক শক্তি ফ্রান্সে।
জেনারেল আবদোরাহমানে চিয়ানি ২৬ জুলাই প্রেসিডেন্টকে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে উৎখাতের পর হঠাৎ করেই নাইজারের রাজপথে রাশিয়ার পতাকা হাজির হতে শুরু করেছে।
রবিবার রাজধানী নিয়ামেতে হাজারো মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন। অনেকের সঙ্গে ছিল রাশিয়ার পতাকা, এমনকি ফরাসি দূতাবাসেও হামলা হয়। রাশিয়ার প্রতি সমর্থন নাইজারজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে।