পানি নিষ্কাশন সমস্যা দূর করতে হবে

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৩ years ago

Manual2 Ad Code

সম্পাদকীয়: কয়েকদিনের ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়িতে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। আকস্মিক এ বন্যায় মানুষকে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এদিকে কয়েকদিন ধরে পানিবন্দি রয়েছে চট্টগ্রাম নগরবাসী।

ভারি বর্ষণে বান্দরবানে পাহাড় ধসে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন রয়েছে। অতি বৃষ্টিপাতে রাঙামাটি ও চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়াতেও পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে বিভিন্ন এলাকায় সড়কে মানুষ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। এ মহাসড়কের ওপর দিয়ে কোমর সমান পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

Manual4 Ad Code

কার্যত গত দুদিন ধরেই চট্টগ্রামের সঙ্গে কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলার সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। বিভিন্ন স্থানে ঘরবাড়িতে পানি ওঠায় বহু মানুষ আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছেন। বর্তমানে বন্যায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত বান্দরবান জেলার মানুষ। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম জেলার কমপক্ষে ১৫টি উপজেলা প্লাবিত হয়েছে। গত কয়েক দিনে বান্দরবানে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে শতাধিক পাহাড় ধসে পড়েছে। বন্যার পানিতে সড়ক-মহাসড়ক ডুবে যাওয়ায় দেশের বিভিন্ন স্থানে মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। নলকূপ ডুবে যাওয়ায় বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে বহু স্থানে।

Manual6 Ad Code

বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের পার্বত্য এলাকার নগরায়ণে টেকসই দৃষ্টিভঙ্গির অভাব ছিল। মাটির গুণাগুণ যাচাই না করে বসতি স্থাপন করার ফলে ভারি বর্ষণে ধসের ঘটনা ঘটছে। কখনো কখনো অল্প বৃষ্টিপাতের কারণেও ধসের ঘটনা ঘটছে। পাহাড়ি এলাকায় নদীর চরে চাষাবাদ করায় চরের মাটি নদীতে পড়ে বহু নদী নাব্য হারিয়েছে। গত কয়েক দশকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়িতে বহু পাহাড় কেটে বসতি স্থাপন করা হয়েছে। বস্তুত যে যেভাবে পারছে পাহাড় কাটছে এবং বসতি স্থাপন করছে। এসব যেন দেখার কেউ নেই। অভিযোগ আছে, স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় চলে এসব কর্মকাণ্ড। পাহাড় কাটার অভিযোগে যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তা অপরাধের ভয়াবহতার নিরিখে অত্যন্ত অপর্যাপ্ত। বস্তুত নামমাত্র জরিমানা আদায়ের কারণেই কমছে না পাহাড় কাটা।

Manual8 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code