সিলেট সীমান্তে শারদোৎসব : ৫৫ বিজিবির তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় – BANGLANEWSUS.COM
  • নিউইয়র্ক, বিকাল ৫:৪৩, ৫ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ



 

সিলেট সীমান্তে শারদোৎসব : ৫৫ বিজিবির তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয়

newsup
প্রকাশিত অক্টোবর ১, ২০২৫
সিলেট সীমান্তে শারদোৎসব : ৫৫ বিজিবির তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয়

Manual4 Ad Code

সংগ্রাম দত্ত

Manual6 Ad Code

বাংলার প্রাণের উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা এবারও সীমান্ত অঞ্চলে অনুষ্ঠিত হচ্ছে আড়ম্বর ও শান্তিপূর্ণ আবহে। দুর্গোৎসব শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি গ্রামীণ জনপদের সামাজিক মিলনমেলা ও সংস্কৃতির সমারোহও বটে। আর এই মহা উৎসবকে ঘিরে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৫ বিজিবি) গ্রহণ করেছে তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয়।

Manual3 Ad Code

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর ) বিকেলে মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ সোহেল-উস-সামাদ তেলিয়াপাড়া চা-বাগানে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন—
“বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) প্রধান দায়িত্ব সীমান্ত নিরাপত্তা, চোরাচালান ও অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ, মানবপাচার ও মাদক নিয়ন্ত্রণ। সেই সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করা।”

Manual6 Ad Code

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সীমান্তের ৮ কিলোমিটারের ভেতরে অবস্থিত মোট ৬০টি পূজা মণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি এবার গড়ে তুলেছে তিন স্তরের বলয়। এর মধ্যে শ্রীমঙ্গল উপজেলায় ২২টি, হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাটে ১৮টি এবং মাধবপুর উপজেলায় ২০টি পূজা মণ্ডপ রয়েছে। এছাড়াও ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের ২ কিলোমিটারের মধ্যে রয়েছে আরও একটি মণ্ডপ।

সীমান্ত এলাকায় জোরদার করা হয়েছে টহল ব্যবস্থা। মোতায়েন করা হয়েছে ১২ প্লাটুন বিজিবি সদস্য। শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, পূজা মণ্ডপের আশপাশেও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও সন্দেহজনক গতিবিধি ঠেকাতে অতিরিক্ত টহল দল সক্রিয় রয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় এবার ড্রোন ব্যবহারের মাধ্যমে আকাশপথেও নজরদারি চলছে।

শান্তিপূর্ণ শারদোৎসব আয়োজনের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন, পুলিশ, আনসার ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে নিবিড় সমন্বয় বজায় রাখা হয়েছে। প্রতিটি পূজা মণ্ডপে চলছে টহল ও রেকি কার্যক্রম। পাশাপাশি সার্বক্ষণিক গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

শারদীয় দুর্গাপূজা কেবল ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি বাংলার লোকজ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। সীমান্তবর্তী জনপদে এই উৎসবকে ঘিরে তৈরি হয় আনন্দ-উচ্ছ্বাস ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন। বিজিবির এই নিরাপত্তা উদ্যোগ উৎসবকে করেছে আরও সুরক্ষিত ও নির্ভরযোগ্য।

Manual3 Ad Code

শান্তি, নিরাপত্তা ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়েই সীমান্ত অঞ্চলে এবারও বাজবে ঢাকের বাদ্য, ভেসে উঠবে শঙ্খধ্বনি।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code