

বিশেষ প্রতিবেদন: কোরবানির ঈদের আগে স্মরণকালে ভয়াবহ বন্যায় বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাড়ে ৬ হাজারেরও বেশি গবাদিপশুর খামার। এই খাতে সহায়তার জন্য ২৮ কোটি ৫৪ লাখ ৩০ হাজার ৯২০ টাকা বরাদ্দের চাহিদাপত্র প্রস্তুত করেছে প্রাণিসম্পদ অধিদফতর। তবে এই চাহিদাপত্রের অর্থ কবে নাগাদ সরবরাহ করা হবে, সেটি জানাতে পারছেন না অধিদফতরের কর্মকর্তারা। ঈদুল আজহার আর ১০ দিনের মতো বাকি। এসময়ে বিক্রির জন্য যেসব খামারি পশু বড় করছিলেন, তারা এখন ঘোর সংকটে পড়েছেন। তাদের দাবি, এই মুহূর্তে তারা সরকারি সহায়তা না পেলে ক্ষতি পুষিয়ে ওঠা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়বে। অন্যদিকে অধিদফতর বলছে, ‘বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন হবে। এ সংক্রান্ত কোনও নির্দেশনা এখনও জারি করা হয়নি। দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ জনপদ প্লাবিত হয়ে প্রাণিসম্পদের যে পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সেই অনুযায়ী চাহিদাপত্রটি তৈরি করা হয়েছে। স্থানীয় কৃষক-খামারিদের সেই ক্ষতি লাঘবে পুনর্বাসন কার্যক্রমের আওতায় সম্ভাব্য কর্মসূচির বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অধিদফতর জানিয়েছে, সিলেট অঞ্চল দিয়ে শুরু হওয়া এবারের বন্যায় পাঁচ বিভাগের ১৫টি জেলায় বিস্তৃত হয়েছে। এসব জেলার ৯৫টি উপজেলার ৬ হাজার ৫৬৯টি গবাদিপশুর খামার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে মোট আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ৩২৮ কোটি ১৪ লাখ ৫১ হাজার ১৫০ টাকা। ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলোর প্রাণিসম্পদ অফিসগুলোর পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।