ডেস্ক রিপোর্ট : এফডিএ কমিশনার মার্টি মকারি ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘কোভিড ভ্যাকসিনের কারণে শিশুদের মৃত্যু সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য এখন প্রকাশ করা হবে, যা সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আমলে প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি।’ কোভিড ভ্যাকসিন অনুমোদনের ক্ষেত্রে কঠোর নীতি আরোপ করা হবে বলে জানিয়েছে ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন- এফডিএ প্রশাসন। এফডিএর শীর্ষ ভ্যাকসিন প্রধান ডক্টর বিনয় প্রসাদ শুক্রবার একটি নথি প্রকাশ করেন। ওই নথিতে বলা হয়, কোভিড ভ্যাকসিন নেওয়ার সঙ্গে ১০জন শিশুর মৃত্যুর সম্পৃক্ততা আছে। এবিসি নিউজ জানায়, ওই শিশুদের মৃত্যুর প্রাথমিক বা সম্ভাব্য কারণ কোভিড ভ্যাকসিন হতে পারে বলে দাবি করেছেন প্রসাদ।এফডিএ কমিশনার মার্টি মকারি ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘কোভিড ভ্যাকসিনের কারণে শিশুদের মৃত্যু সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য এখন প্রকাশ করা হবে, যা সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আমলে প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি।’
তবে প্রসাদের দাবি করা তথ্যটি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, কোভিড ভ্যাকসিনের সঙ্গে শিশু মৃত্যুর সম্পৃক্ততার তথ্যটি কোনো গবেষণামূলক তথ্য নয়। এটি কোনো গবেষণা প্রতিবেদনেও প্রকাশ করা হয়নি। ইউসি ল সান ফ্রান্সিস্কোর আইন বিভাগের অধ্যাপক ডরিট রেইস কোনো প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদন ছাড়াই প্রাসাদের ভ্যাকসিনের অনুমোদন প্রক্রিয়া পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সের এক পোস্টে রেইস বলেন, ‘ডক্টর প্রসাদ পরবর্তী ধাপে যেতে এফডিএর পর্যায়ক্রমিক প্রক্রিয়া নীতি অনুসরণ করেননি। প্রসাদ কোনো ভ্যকসিন বিশেষজ্ঞও নন। জন হপকিন্স সেন্টার ফর হেলথ সিকিউরিটির সিনিয়র স্কলার ডক্টর আমেশ আদালজা বলেন, ‘এফডিএর প্রকাশিত নথিতে কোনো মেডিক্যাল ডাটা নেই, যা শিশু মৃত্যুর দাবিটি যথার্থতা নিশ্চিত করে।’ আদালজা আরও বলেন, ‘এ বিবৃতি ভ্যাকসিনবিরোধী মনোভাব বৃদ্ধি করবে এবং ভ্যাকসিনকে রাজনৈতিক করে তুলবে, যা মোটেই কাম্য নয়।’
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।