কিভাবে দূর করবেন সন্তানের মোবাইল আসক্তি?

লেখক: Rumie
প্রকাশ: ২ মাস আগে

Manual7 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট:সন্তান একটু ফাঁকা সময় পেলেই মোবাইল হাতে নিচ্ছে? খাওয়া, পড়া, এমনকি ঘুমানোর আগেও স্ক্রিন – সবকিছুতেই যেন মোবাইল ছাড়া চলছে না। প্রথমে বিষয়টিতে আপনার কাজে সুবিধা হলেও ধীরে ধীরে এটি অভ্যাসে পরিণত হয়, যা শিশুর মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই সময় থাকতে অভ্যাসে পরিবর্তন আনা জরুরি। শিশুর মোবাইল নির্ভরতা কমাতে কিছু সহজ কিন্তু কার্যকর উপায় অনুসরণ করতে পারেন-

হঠাৎ বন্ধ নয়, ধীরে সীমা নির্ধারণ করুন

একেবারে মোবাইল কেড়ে নিলে শিশু বিরক্ত বা আক্রমণাত্মক হয়ে উঠতে পারে। তাই প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় ঠিক করুন – যেমন দিনে ১ ঘণ্টা। ধীরে ধীরে সেই সময় কমান, যাতে শিশু মানিয়ে নিতে পারে।

Manual8 Ad Code

বিকল্প বিনোদনের ব্যবস্থা করুন

শুধু ‘মোবাইল দিও না’ বললেই হবে না। ছবি আঁকা, গল্পের বই, পাজল, বাইরে খেলা – এগুলোতে আগ্রহ তৈরি করতে হবে। শিশু যদি আনন্দের অন্য উৎস পায়, তখন স্বাভাবিকভাবেই স্ক্রিনের প্রতি নির্ভরতা কমবে।

নিজের অভ্যাসেও পরিবর্তন আনুন

শিশুরা অনুকরণ করে শেখে। আপনি যদি সারাক্ষণ মোবাইলে থাকেন, তাহলে সে সেটাই স্বাভাবিক মনে করবে। তাই পরিবারের সময়গুলোতে (যেমন খাবার টেবিলে) মোবাইল দূরে রাখুন।

নির্দিষ্ট ‘নো-স্ক্রিন’ সময় ও জায়গা ঠিক করুন

Manual6 Ad Code

ঘুমানোর আগে, খাওয়ার সময় বা পড়ার টেবিলে মোবাইল নিষিদ্ধ রাখুন। এতে শিশু বুঝতে শিখবে – সব সময় স্ক্রিন ব্যবহার করা যায় না।

সন্তানের সঙ্গে সময় কাটান

অনেক সময় একঘেয়েমি বা একাকীত্ব থেকেই শিশুরা মোবাইলে ডুবে থাকে। প্রতিদিন কিছু সময় একসঙ্গে খেলুন, গল্প করুন। এতে তাদের মানসিক চাহিদা পূরণ হবে এবং স্ক্রিনের ওপর নির্ভরতা কমবে।

Manual2 Ad Code

পুরস্কার ও প্রশংসা ব্যবহার করুন

মোবাইল কম ব্যবহার করলে বা নিয়ম মানলে তাকে প্রশংসা করুন বা ছোট পুরস্কার দিন। এতে সে উৎসাহ পাবে এবং ভালো অভ্যাস গড়ে তুলতে আগ্রহী হবে।শেষ পর্যন্ত মনে রাখতে হবে, মোবাইল সম্পূর্ণ খারাপ নয় – কিন্তু নিয়ন্ত্রণহীন ব্যবহারই সমস্যার মূল। ছোটবেলা থেকেই সঠিক অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে শিশুর সুস্থ মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করা সম্ভব।

Manual7 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code