ইন্দোনেশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে দামায়ান্তিকে সংসদের অনুমোদন

লেখক: Rumie
প্রকাশ: ৮ ঘন্টা আগে

Manual5 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট: ইন্দোনেশিয়ার সংসদ মঙ্গলবার ডেস্ট্রি দামায়ান্তিকে দেশটির নতুন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে। গত জুলাইয়ে হঠাৎ করে পেরি ওয়ারজিও পদত্যাগ করার পর তাকে নতুন গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো। গত মাসে প্রেসিডেন্ট প্রবোও সুবিয়ান্তো ডেস্ট্রিকে মনোনয়ন দেওয়ার পর তিনিই একমাত্র প্রার্থী ছিলেন। পেরি পদ ছাড়ার পর থেকে তিনি ভারপ্রাপ্ত গভর্নরের দায়িত্ব পালন করছিলেন।

Manual5 Ad Code

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন গভর্নর নিয়োগে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের আশঙ্কা রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রেসিডেন্ট প্রবোওর মনোনয়ন ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছিল। তার ভাতিজা ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর থমাস জিওয়ান্দোনোকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রাখা হয়েছিল।

Manual1 Ad Code

পেরি হঠাৎ পদত্যাগ করার আগে ৬২ বছর বয়সী অর্থনীতিবিদ ডেস্ট্রি ২০১৯ সাল থেকে ব্যাংক ইন্দোনেশিয়ার (বিআই) ডেপুটি গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। ঋণমান নির্ধারণকারী সংস্থা ফিচ রেটিংস বলেছে, ডেস্ট্রির মনোনয়ন থেকে নীতির ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে—এমন প্রত্যাশা আরও জোরালো হয়েছে।

গত সপ্তাহে সংসদে অনুষ্ঠিত নিয়োগসংক্রান্ত শুনানিতে ডেস্ট্রি বলেন, তিনি এমন একটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবেন, যা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রাসঙ্গিক থাকবে, আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রেখে বিশ্বাসযোগ্যতা ধরে রাখবে এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।

Manual1 Ad Code

প্রেসিডেন্ট প্রবোও ২০২৪ সালের অক্টোবরে দায়িত্ব নেওয়ার পর পেরির পদত্যাগ ছিল দেশটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারকের দ্বিতীয় পদত্যাগের ঘটনা।ক্যাপিটাল ইকোনমিকসসহ কয়েকটি পর্যবেক্ষক প্রতিষ্ঠান মনে করছে, সরকারের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিমুখী নীতিকে আরও বেশি সমর্থন করার জন্য পেরির ওপর চাপ ছিল কি না, তা নিয়ে এ পদত্যাগের পর জল্পনা তৈরি হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ে। এর মধ্যে জুনে একটি আইন পাস হয়, যাতে সংসদকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যক্রম মূল্যায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দায়িত্বও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর দেওয়া হয়—যা প্রেসিডেন্ট প্রবোওর সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

Manual7 Ad Code

পেরির পদত্যাগ এমন এক কঠিন সময়ে হয়, যখন ইন্দোনেশিয়ার মুদ্রা রুপিয়াহর বড় ধরনের দরপতন এবং শেয়ারবাজারে মন্দাভাব দেখা দিয়েছিল। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ও কয়েকজন ডেপুটি গভর্নর নিয়ে গঠিত পরিচালনা পর্ষদ দেশটির মুদ্রানীতি নির্ধারণ করে এবং সুদের হার ঠিক করে।জুলাইয়ে পেরির শেষ নীতিনির্ধারণী বৈঠকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণের সুদহার ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখে। চলতি বছরে এর আগে সুদহার মোট ১০০ বেসিস পয়েন্ট বাড়ানো হয়েছিল। ক্যাপিটাল ইকোনমিকসের মতে, সুদহার বাড়ানোর এ পদক্ষেপ সরকারকে সম্ভবত হতাশ করেছিল।গত মাসের বৈঠকেও কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদহার অপরিবর্তিত রাখে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code