দেশে আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ও দুর্ঘটনা

লেখক: বাংলানিউজ ইউএস.কম
প্রকাশ: ২ ঘন্টা আগে

Manual1 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট: গ্যাস লাইনের লিকেজ এবং সিলিন্ডার বিস্ফোরণে সারাদেশে অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। ওসব ঘটনায় মৃত্যু, দগ্ধ ও ক্ষতি হলেও অবহেলাজনিত ঘটনার দায় নিচ্ছে না কেউই। গত ৭ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের বন্দরে বাসায় গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ হন ৩ জন মারা যায়। কিন্তু ওই ঘটনায় মামলা করেননি নিহতদের স্বজনরা। দেশে বিগত ২০২৫ সালে সিলিন্ডার ও সিলিন্ডারের সঙ্গে যুক্ত উপকরণের লিকেজ থেকে এক হাজার ৪১টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। আর ২০০৪ সালে ঘটেছিলো ৭৪৮টি দুর্ঘটনা। এক বছরের ব্যবধানে দেশে ২৯৩টি দুর্ঘটনা বেশি ঘটেছে। ওসব দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষতি বাড়লেও সিলিন্ডার আমদানি, বাজারজাতকরণ ও নিরাপত্তা-পরীক্ষার বিষয়ে সরকারের তদারকি সংস্থাগুলোর সাড়া নেই। পাশাপাশি ওসব দুর্ঘটনার কোনো মামলাও করছে না ভুক্তভোগীরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রাহকদের অসচেতনতা ও তদারকি সংস্থাগুলোর উদাসীনতায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ও দুর্ঘটনা বাড়ছে। মূলত সঠিক নিয়মে সিলিন্ডারে গ্যাস রিফিল না করা, মানহীন সুরক্ষার যন্ত্রাংশ ব্যবহার, সঠিক পদ্ধতিতে রক্ষণাবেক্ষণ না করা, মেয়াদোত্তীর্ণ বোতল ও চুলার পাশে সিলিন্ডার রাখায় ওই ধরনের দুর্ঘটনা বেশি ঘটছে। পরিস্থিতি উত্তরণে জনসচেতনার পাশাপাশি অবহেলাজনিত কারণে দুর্ঘটনায় মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা হওয়া প্রয়োজন। যাতে অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা যায়। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, সারাদেশে বিগত ২০২৫ সালে ২৭ হাজার ৫৯টি আগুনের ঘটনা ঘটে। তাতে ৮৫ জনের মৃত্যু এবং ২৬৭ জন আহত হয়। তার মধ্যে চুলা থেকে ২ হাজার ৯০৯টি, গ্যাস সিলিন্ডার যন্ত্রাংশের লিকেজন থেকে ৯২০টি, গ্যাস সিলিন্ডারের বিস্ফোরণ থেকে ১২১টি আগুনের ঘটনা ঘটে। আর ২০২৪ সালে সারা দেশে গ্যাস সিলিন্ডার যন্ত্রাংশের লিকেজ থেকে ৫৩৯টি, সিলিন্ডার বিস্ফোরণজনিত ২৯টি, গ্যাসের সরবরাহ লাইনের লিকেজ থেকে ৩৭৯টি এবং শীততাপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র থেকে ৬১টি আগুনের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু আগুনের ঘটনায় বাস্তবে হতাহতের সংখ্যা অনেক বেশি। কারণ অগ্নিকাণ্ডের পর ঘটনাস্থলে পাওয়া লাশই রেকর্ড হয়। কিন্তু দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর তালিকা নেই।

সূত্র জানায়, বর্তমানে দেশে এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহার করে ৬০ লাখের বেশি গ্রাহক। আর তাদের বড় অংশই গ্রামাঞ্চলে থাকে। চাহিদা মেটাতে বাজারে রয়েছে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে ৩০ কোম্পানির অন্তত ২ কোটি সিলিন্ডার। গত এক বছরে ৬ লাখ ১৩ হাজার ৩২৩টি এলপিজি সিলিন্ডার আমদানি করা হয়েছে। আর ৩ লাখ ১ হাজার ১৯০টি সিলিন্ডার আমদানি করা হয়েছে। তাছাড়া দেশে সিলিন্ডার তৈরির জন্য তিনটি প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দেয়া হয়েছে। ওসব অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান নির্মিত ৩৫ লাখ ৮২৯টি এলপিজি সিলিন্ডার দেশে বাজারজাত করেছে। কিন্তু ওসব সিলিন্ডারের মান পরীক্ষার জন্য নেই অনুমোদিত কোনো পরীক্ষণকেন্দ্র। তাছাড়া অনেক অসাধু ব্যবসায়ী বড় সিলিন্ডার থেকে ছোট সিলিন্ডারে অবৈধভাবে গ্যাস স্থানান্তর করে। যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়।

সূত্র আরো জানায়, দেশের আগুনে পোড়া অধিকাংশ রোগীর চিকিৎসাই ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে হয়। সিলিন্ডার ও লাইনের গ্যাস লিকেজ সংক্রান্ত দুর্ঘটনায় গতবছর ওই বার্ন ইনস্টিটিউটে যথাক্রমে ১৬২ ও ৮৩ জন ভর্তি হন। তাছাড়া দগ্ধ কয়েকজনকে মৃতাবস্থায় আনা হয়। কিন্তু ভর্তি রোগীদের মধ্যে কতজন মারা গেছে তা জানা নেই। চিকিৎসকদের মতে, গ্যাসের আগুনে দগ্ধ রোগীর সমস্যা বেশি হয়। শরীরে গভীর ক্ষত হয়। গ্যাস বা ধোঁয়ায় শ্বাসনালি পুড়ে যায়। শারীরিক ট্রমার কারণে মৃত্যুঝুঁঁকি বেড়ে যায়। বেশিরভাগ দগ্ধদের বেশিরভাগের ভাষ্য, ঘরে গ্যাস লিকেজ টের পাওয়া যায়নি এবং চুলা জ্বালানোর সময় বিস্ফোরণ হয়েছে।

Manual8 Ad Code

এদিকে এ বিষয়ে বিস্ফোরক পরিদপ্তরের সহকারী পরিদর্শক মেহেদী খান জানান, অনেক অসাধু ব্যবসায়ী গভীর রাতে বড় সিলিন্ডার থেকে ছোট সিলিন্ডারে অবৈধভাবে গ্যাস স্থানান্তর করে। ওসব প্রতিষ্ঠানের ছিলো না কোনো বৈধ লাইসেন্স। সারা দেশে মাত্র ১৪ কর্মকর্তা এই বিশাল কর্মযজ্ঞের তদারকি করে। কিন্তু জেলাপর্যায়ে সংস্থার কোনো অফিস নেই। ফলে শুধু বিভাগীয় পর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালিত হয়। দুর্ঘটনা ঘটলে গুরুত্ব বুঝে পরিদর্শন করা হয়। আর লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানের অবহেলা পাওয়া গেলে তাদের অনুমোদন বাতিল করা হচ্ছে এবং অবৈধ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী জানান, লাইনের গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ও সিলিন্ডার বিস্ফোরণ উভয় কারণেই অগ্নিকান্ড ঘটছে। নিম্নমানের হোসপাইপ, রেগুলেটর, নজেল, ভালভের কারণে লিকেজ হয়। নানা কারণে ঘরে জমে থাকা গ্যাসের গন্ধ তেমন টের পাওয়া যায় না। ফলে আগুন জ্বালানো মাত্র বিপদ ঘটছে। তাছাড়া নিম্নমানের সিলিন্ডার অতিরিক্ত তাপের সংস্পর্শে এলে গ্যাসের চাপ বেড়ে বিস্ফোরণ হয়। সিলিন্ডারের হাইড্রোলিক পরীক্ষা করা হচ্ছে না। দুর্ঘটনায় সিলিন্ডার আমদানি থেকে বিপণন পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থার দায় রয়েছে। পাশাপাশি গ্রাহকদেরও সচেতন হওয়ার বিগ্যাস লাইনের লিকেজ এবং সিলিন্ডার বিস্ফোরণে সারাদেশে অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। ওসব ঘটনায় মৃত্যু, দগ্ধ ও ক্ষতি হলেও অবহেলাজনিত ঘটনার দায় নিচ্ছে না কেউই। গত ৭ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের বন্দরে বাসায় গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ হন ৩ জন মারা যায়। কিন্তু ওই ঘটনায় মামলা করেননি নিহতদের স্বজনরা। দেশে বিগত ২০২৫ সালে সিলিন্ডার ও সিলিন্ডারের সঙ্গে যুক্ত উপকরণের লিকেজ থেকে এক হাজার ৪১টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। আর ২০০৪ সালে ঘটেছিলো ৭৪৮টি দুর্ঘটনা। এক বছরের ব্যবধানে দেশে ২৯৩টি দুর্ঘটনা বেশি ঘটেছে। ওসব দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষতি বাড়লেও সিলিন্ডার আমদানি, বাজারজাতকরণ ও নিরাপত্তা-পরীক্ষার বিষয়ে সরকারের তদারকি সংস্থাগুলোর সাড়া নেই। পাশাপাশি ওসব দুর্ঘটনার কোনো মামলাও করছে না ভুক্তভোগীরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রাহকদের অসচেতনতা ও তদারকি সংস্থাগুলোর উদাসীনতায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ও দুর্ঘটনা বাড়ছে। মূলত সঠিক নিয়মে সিলিন্ডারে গ্যাস রিফিল না করা, মানহীন সুরক্ষার যন্ত্রাংশ ব্যবহার, সঠিক পদ্ধতিতে রক্ষণাবেক্ষণ না করা, মেয়াদোত্তীর্ণ বোতল ও চুলার পাশে সিলিন্ডার রাখায় ওই ধরনের দুর্ঘটনা বেশি ঘটছে। পরিস্থিতি উত্তরণে জনসচেতনার পাশাপাশি অবহেলাজনিত কারণে দুর্ঘটনায় মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা হওয়া প্রয়োজন। যাতে অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা যায়। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, সারাদেশে বিগত ২০২৫ সালে ২৭ হাজার ৫৯টি আগুনের ঘটনা ঘটে। তাতে ৮৫ জনের মৃত্যু এবং ২৬৭ জন আহত হয়। তার মধ্যে চুলা থেকে ২ হাজার ৯০৯টি, গ্যাস সিলিন্ডার যন্ত্রাংশের লিকেজন থেকে ৯২০টি, গ্যাস সিলিন্ডারের বিস্ফোরণ থেকে ১২১টি আগুনের ঘটনা ঘটে। আর ২০২৪ সালে সারা দেশে গ্যাস সিলিন্ডার যন্ত্রাংশের লিকেজ থেকে ৫৩৯টি, সিলিন্ডার বিস্ফোরণজনিত ২৯টি, গ্যাসের সরবরাহ লাইনের লিকেজ থেকে ৩৭৯টি এবং শীততাপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র থেকে ৬১টি আগুনের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু আগুনের ঘটনায় বাস্তবে হতাহতের সংখ্যা অনেক বেশি। কারণ অগ্নিকাণ্ডের পর ঘটনাস্থলে পাওয়া লাশই রেকর্ড হয়। কিন্তু দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর তালিকা নেই।

সূত্র জানায়, বর্তমানে দেশে এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহার করে ৬০ লাখের বেশি গ্রাহক। আর তাদের বড় অংশই গ্রামাঞ্চলে থাকে। চাহিদা মেটাতে বাজারে রয়েছে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে ৩০ কোম্পানির অন্তত ২ কোটি সিলিন্ডার। গত এক বছরে ৬ লাখ ১৩ হাজার ৩২৩টি এলপিজি সিলিন্ডার আমদানি করা হয়েছে। আর ৩ লাখ ১ হাজার ১৯০টি সিলিন্ডার আমদানি করা হয়েছে। তাছাড়া দেশে সিলিন্ডার তৈরির জন্য তিনটি প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দেয়া হয়েছে। ওসব অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান নির্মিত ৩৫ লাখ ৮২৯টি এলপিজি সিলিন্ডার দেশে বাজারজাত করেছে। কিন্তু ওসব সিলিন্ডারের মান পরীক্ষার জন্য নেই অনুমোদিত কোনো পরীক্ষণকেন্দ্র। তাছাড়া অনেক অসাধু ব্যবসায়ী বড় সিলিন্ডার থেকে ছোট সিলিন্ডারে অবৈধভাবে গ্যাস স্থানান্তর করে। যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়।

সূত্র আরো জানায়, দেশের আগুনে পোড়া অধিকাংশ রোগীর চিকিৎসাই ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে হয়। সিলিন্ডার ও লাইনের গ্যাস লিকেজ সংক্রান্ত দুর্ঘটনায় গতবছর ওই বার্ন ইনস্টিটিউটে যথাক্রমে ১৬২ ও ৮৩ জন ভর্তি হন। তাছাড়া দগ্ধ কয়েকজনকে মৃতাবস্থায় আনা হয়। কিন্তু ভর্তি রোগীদের মধ্যে কতজন মারা গেছে তা জানা নেই। চিকিৎসকদের মতে, গ্যাসের আগুনে দগ্ধ রোগীর সমস্যা বেশি হয়। শরীরে গভীর ক্ষত হয়। গ্যাস বা ধোঁয়ায় শ্বাসনালি পুড়ে যায়। শারীরিক ট্রমার কারণে মৃত্যুঝুঁঁকি বেড়ে যায়। বেশিরভাগ দগ্ধদের বেশিরভাগের ভাষ্য, ঘরে গ্যাস লিকেজ টের পাওয়া যায়নি এবং চুলা জ্বালানোর সময় বিস্ফোরণ হয়েছে।

Manual1 Ad Code

এদিকে এ বিষয়ে বিস্ফোরক পরিদপ্তরের সহকারী পরিদর্শক মেহেদী খান জানান, অনেক অসাধু ব্যবসায়ী গভীর রাতে বড় সিলিন্ডার থেকে ছোট সিলিন্ডারে অবৈধভাবে গ্যাস স্থানান্তর করে। ওসব প্রতিষ্ঠানের ছিলো না কোনো বৈধ লাইসেন্স। সারা দেশে মাত্র ১৪ কর্মকর্তা এই বিশাল কর্মযজ্ঞের তদারকি করে। কিন্তু জেলাপর্যায়ে সংস্থার কোনো অফিস নেই। ফলে শুধু বিভাগীয় পর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালিত হয়। দুর্ঘটনা ঘটলে গুরুত্ব বুঝে পরিদর্শন করা হয়। আর লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানের অবহেলা পাওয়া গেলে তাদের অনুমোদন বাতিল করা হচ্ছে এবং অবৈধ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করা হচ্ছে।

Manual6 Ad Code

অন্যদিকে এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী জানান, লাইনের গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ও সিলিন্ডার বিস্ফোরণ উভয় কারণেই অগ্নিকান্ড ঘটছে। নিম্নমানের হোসপাইপ, রেগুলেটর, নজেল, ভালভের কারণে লিকেজ হয়। নানা কারণে ঘরে জমে থাকা গ্যাসের গন্ধ তেমন টের পাওয়া যায় না। ফলে আগুন জ্বালানো মাত্র বিপদ ঘটছে। তাছাড়া নিম্নমানের সিলিন্ডার অতিরিক্ত তাপের সংস্পর্শে এলে গ্যাসের চাপ বেড়ে বিস্ফোরণ হয়। সিলিন্ডারের হাইড্রোলিক পরীক্ষা করা হচ্ছে না। দুর্ঘটনায় সিলিন্ডার আমদানি থেকে বিপণন পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থার দায় রয়েছে। পাশাপাশি গ্রাহকদেরও সচেতন হওয়ার বিকল্প নেই।

Manual4 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code