কুলাউড়া আ.লীগের সম্মেলনে তরুণ প্রজন্মর পছন্দের শীর্ষে, কামরুল

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual1 Ad Code

অবশেষে দীর্ঘ ১৫ বছর পর আগামী ১০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন। সম্মেলনকে ঘিরে সকল প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলাজুড়ে সম্মেলনকে ঘিরে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের মাঝে।

Manual4 Ad Code

 

কাউন্সিলের মাধ্যমে দলের নেতাকর্মীরা নতুন নেতৃত্বের প্রত্যাশা করছেন। ইতোমধ্যে পদ প্রত্যাশীদের দৌঁড়ঝাপ শুরু হয়েছে তৃণমূল থেকে জেলা ও কেন্দ্রতে। এবারের কমিটিতে নবীন ও প্রবীণের সমন্বয়ে নতুন কমিটি গঠিত হবে এমন আশা করছেন দলের বয়োজ্যেষ্ঠ নেতারা। তাই একাধিক নতুন মুখ আসতে পারে এই কমিটিতে।

Manual7 Ad Code

 

Manual5 Ad Code

অন্যদিকে দীর্ঘ ১৫ বছর পর উপজেলা আওয়ামী লীগের এই সম্মেলন হওয়ায় নেতাকর্মীদের প্রাণচাঞ্চল্য অনেকটা বেড়ে গেছে। ইতোমধ্যেই নিজের পছন্দের প্রার্থীদের পক্ষে উপজেলা জুড়ে বিলবোর্ড ও ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে। শহরে ও তৃণমূলের হাটবাজারে সম্মেলনের আসা সম্ভাব্য অতিথিদের পোষ্টার ব্যাপকভাবে সাঁটানো হচ্ছে। অতিথিদের সম্মানে বেশ কয়েকটি তোরণ ও গেইট নির্মাণের কাজ শুরু হচ্ছে। সম্মেলন সফল করতে প্রচারনার কাজ চলছে তোড়জোড়ে। পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে প্রতিদিন মিছিল মিটিং হচ্ছে শহরে ও বিভিন্ন ইউনিয়নে। কারা আসছেন কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে-এ প্রশ্নের নেতাকর্মীরা জানান, কুলাউড়া আ.লীগের সম্মেলনে ‘ফ্যাক্টর’ হচ্ছেন আসম কামরুল। কারন তরুণ প্রজন্মর পছন্দের শির্ষে তিনি অবস্থান করছেন। তৃণমূল নেতৃবৃন্দ বলেন, কুলাউড়া আ.লীগের সম্মেলনে ‘ফ্যাক্টর’ আসম কামরুল । আসন্ন কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী আ.স.ম কামরু। তৃণমূল নেতাকর্মীরা তাকে এই পদের যোগ্য বলে দাবী করছেন। বেশ পরিশ্রমী, আত্মপ্রত্যয়ী ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন কামরুল ইসলাম একজন পরোপকারী রাজনীতিবিদ হিসেবে করো বিন্দু মাত্র ক্ষতি করার চেষ্টা করেননি কখনো। বাবার সময় থেকে ক্ষমতার কাছাকাছি থাকলেও এমনকি নিজে জনরায়ে নির্বাচিত হয়েও ক্ষমতার মোহে অন্ধ ছিলেননা। বাবা সাংসদ থাকাবস্থায়ও বল প্রয়োগতো দূরের কথা কোনো টেন্ডারবাজ কিংবা ঠিকাদারীর সাথে সখ্যতা গড়েননি। যা পরবর্তীকালে কুলাউড়া উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান ও পরে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েও পূর্বের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন। যে কারণে নিজের কিংবা পরিবারের কারোর নামে কোন ব্যাংক ব্যালেন্স নেই। গেল উপজেলা নির্বাচনের হলফনামাই প্রমাণ দেয় রাজনীতি করে অর্থ-উপার্জন করা তাঁর উদ্দেশ্য ছিলোনা। নির্বাচনী হলফনামা মতে বাপ-দাদার সম্পত্তি ছাড়া আর কোন স্থাবর সম্পত্তি নেই কামরুল ইসলামের। পৈত্তিক সম্পত্তির কৃষি ও দোকান ভাড়া দিয়ে যৌথ পরিবার চলে তাঁর। সম্পদ হিসেবে ৬ ভরি স্বর্নলংকার ও আসবাবপত্র বাবত মাত্র ৮৫ হাজার টাকার মালিক তিনি।

 

এ হিসেবে গেল টানা ১০ বছরে জনপ্রতিনিধি (প্রথম উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান ও পরেরবার উপজেলা চেয়ারম্যান) থাকাবস্থায় কোন সম্পদ বাড়েনি তাঁর। এ থেকে বুঝা যায় নীতি-নৈতিকতার প্রশ্নে তিনি ছিলেন আপোসহীন। জনগনের আমানতের তিনি ছিলেন বিশ^স্থ রক্ষক। খোঁজ নিয়ে দখা যায়, দায়িত্বকালীন ১০ বছরে সম্পদ বাড়েনি বরং কমেছে কয়েকগুন। গেলো নির্বাচনগুলোতে দেশ বিদেশে অবস্থানরত আত্বীয়-স্বজন, শুভকাঙ্কী ও স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের আর্থিক সহযোগীয় চলেছে তাঁর নির্বাচনী কার্যক্রম।

Manual2 Ad Code

 

বলয় মুক্ত নীতি আদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল তৃনমূল আওয়ামীলীগ পরীক্ষিত, পরিশ্রমী এবং নিষ্ঠাবান কর্মী বান্ধব কামরুলকে নিয়ে কুলাউড়া উপজেলা আ’লীগকে ঢেলে সাজাবার স্বপ্ন দেখছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী বঙ্গ কন্যা শেখ হাসিনার জঞ্চালমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতির আকাংখার সাথে কুলাউড়ার তৃনমূলের স্বপ্ন মিলে যাওয়ায় কামরুলই আসন্ন কাউন্সিলে উপজেলা আ.লীগের মূল কান্ডারি শক্তি হিসেবে আবির্ভূূত হয়েছেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code