অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে নেতৃত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual6 Ad Code

অর্থনীতি ডেস্কঃ 

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশ এগিয়েছে অনেক দূর। আর এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ছিল টার্নিং পয়েন্ট, যার নেতৃত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বুধবার বণিক বার্তার দ্বিতীয় বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলন-২০২১ এ অংশ নিয়ে এমন মন্তব্য করেন বক্তারা।

এর আগে বুধবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে সিটি ব্যাংকের এমডি ও সিইও মাসরুর আরেফিনের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যামে এ সম্মেলন শুরু হয়।

Manual5 Ad Code

সম্মেলনে ‘পাঁচ দশকের উন্নয়ন অভিযাত্রায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক’ শিরোনামে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির। সম্মানিত অতিথি হিসেবে আলোচনা করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন, ফখরুদ্দীন আহমদ, সালেহউদ্দিন আহমেদ, আতিউর রহমান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আব্দুর রউফ তালুকদার ও হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ. কে. আজাদ। সম্মেলন সঞ্চালনা করেন বণিক বার্তা সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ১৭ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের জন্মের ১০০ বছর পূর্ণ হয়। বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে সরকার ২০২০-এর ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত সময়কে ‘মুজিব বর্ষ’ ঘোষণা করে এবং জাতীয়ভাবে ব্যাপকভিত্তিক কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেয়। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগেও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান মুজিব বর্ষ পালনে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করে।

সম্মেলনে অংশ নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আব্দুর রউফ তালুকদার বলেন, বিশ্বের শীর্ষ ৪১টি শীর্ষ অর্থনীতি দেশের মধ্যে মাত্র আটটি দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক ছিল গত অর্থ বছরে। তার মধ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি ছিল। এটি সম্ভব হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে যথাযথ যোগসূত্র থাকার কারণে।

সম্মেলনে অংশ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান বলেন, কোভিড-১৯’র কারণে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে সবচেয়ে বড় যে তিনটি খাত ভূমিকা রেখেছে তার মধ্যে রেমিটেন্স অন্যতম। যে কারণে রেমিটেন্সে প্রণোদনা আরও এক শতাংশ বাড়ানো উচিৎ বলে মনে করেন তিনি।

Manual4 Ad Code

সাবেক এ গভর্নর আরও বলেন, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে দেশের কৃষি খাত ছিল রক্ষাকবচ। এর পরেই ভূমিকা রেখেছে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি খাত। এছাড়া টেকসই অর্থনীতি বাস্তবায়নে আটটি সুপারিশ করেন তিনি।

সম্মেলনের আলোচনায় অংশ নিয়ে হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ. কে. আজাদ বলেন, একক গ্রাহকের ব্যাংক ঋণ নীতিমালা আছে। এই নীতিমালার অতিরিক্ত ঋণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রস্তাব যায় এবং সেটি ঠিকই অনুমোদন হয়ে যায়। এটা বন্ধ করা গেলে খেলাপি ঋণ কমবে। সুদের হারও আরও কমানো যাবে।

Manual7 Ad Code

ব্যাংকগুলোকে অনেক সময় রাজনৈতিক প্রভাবে ঋণ দিতে হয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এ. কে. আজাদ বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংককে যদি অনেক বিষয়ে স্বাধীনতা দেওয়া যায় তাহলে আরও কর্মসংস্থান হবে, অর্থনীতির সম্প্রসার ঘটবে।

Manual4 Ad Code

ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ঋণে এখনো অনেক হয়রানি হয় বলে মন্তব্য করে -তা বন্ধে বাংলাদেশ ব্যাংককে নজর দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code