অস্ট্রেলিয়াকে ৩০৭ রানের বিশাল লক্ষ্য দিলো বাংলাদেশ

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ২ years ago

Manual8 Ad Code

স্পোর্টস ডেস্ক:

ভারত বিশ্বকাপকে বলা হচ্ছে রানবন্যার বিশ্বকাপ। কিন্তু ৯ ম্যাচের মধ্যে আগের আট ম্যাচের একটিতেও বাংলাদেশ নিজেদের স্কোর ৩০০’র কাছেও নিতে পারেনি। শ্রীলঙ্কার ছুঁড়ে ২৮০ রানের লক্ষ্য তাড়া করাটাই ছিল সর্বোচ্চ স্কোর।

তবে শেষ ম্যাচে এসে সেই আক্ষেপটাও ঘোচালো বাংলাদেশের ব্যাটাররা। অস্ট্রেলিয়াকে ৩০৭ রানের বিশাল লক্ষ্য বেধে দিয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত অ্যান্ড কোং।

বিশ্বকাপের শেষ ম্যাচ আজ। প্রতিপক্ষ যেহেতু অস্ট্রেলিয়া। অনেকের মনেই সংশয় ছিল, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে না কেমন করে বাংলাদেশ! কিন্তু টস হেরে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের ব্যাটাররা যেভাবে ব্যাট করছেন, তাতে মনে হচ্ছে বড় স্কোরই গড়তে যাচ্ছেন তারা।

১৫.১ ওভারে বাংলাদেশ পৌঁছেছিলো ১০০ রানের মাইলফলকে। ৩ উইকেট হারিয়ে ২০০ পূরণ করেছে ৩৩ ওভারে। এরপর তাওহিদ হৃদয়ের ব্যাটে ভর করে এবং সঙ্গে বাকি ব্যাটাররা মিলে বাংলাদেশের রান পার করেছে ৩০০’র গন্ডি।

Manual1 Ad Code

পুরো বিশ্বকাপে এ নিয়ে দুটি ওপেনিং জুটি হলো মোটামুটি সন্তোষজনক। একটি ভারতের বিপক্ষে, আরেকটি আজ শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। ৭৬ রানের দুর্দান্ত এক জুটি গড়লেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার লিটন দাস এবং তানজিদ হাসান তামিম।

কারো ব্যাট থেকে সেঞ্চুরি আসেনি। তবে মাঝারিমানের বেশ কয়েকটি ইনিংসই বাংলাদেশের স্কোরকে ৩০০ পার করে দিয়েছে। ৭৯ বলে ৭৪ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলেন তাওহিদ হৃদয়। ৫৭ বলে ৪৫ রানের ইনিংস খেলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ৩৬ রান করে স্কোরবোর্ডে যোগ করেন তানজিদ হাসান তামিম এবং লিটন দাস। ৩২ রান করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাট করতে পাঠায় অস্ট্রেলিয়া। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দারুণ সূচনা এনে দেন লিটন এবং তানজিদ তামিম। দু’জনই প্রথম ১০ ওভার পার করে দেন স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যাটিং করে।

Manual6 Ad Code

অবশেষে ১১.২ ওভারের মাথায় ভাঙ্গে বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটি। ৩৪ বলে ৩৬ রান করে সিন অ্যাবটের বলে রিটার্ন ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান বাংলাদেশ দলের তরুণ ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। ৬টি বাউন্ডারির মার মারেন তিনি।

Manual6 Ad Code

দ্বিতীয় উইকেটে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে ৩০ রানের জুটি গড়েন লিটন দাস। ১৬.৪ ওভারে ১০৬ রানের মাথায় আউট হয়ে যান বাংলাদেশ দলের এই ওপেনার। ৪৫ বলে ৩৬ রান করেন তিনি। বাউন্ডারির মার মারেন ৫টি।

অধিনায়ক শান্তর জন্য দুর্ভাগ্য, ৫ রানের জন্য হাফ সেঞ্চুরি হলো না। ৪৫ রান নিয়ে যখন ব্যাট করছিলেন তখন দ্রুত দুই রান নিতে গিয়ে রানআউট হয়ে যান তিনি।

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ এবং তাওহিদ হৃদয় জুটি চেষ্টা করেছিলেন বাংলাদেশকে অনেক দুর এগিয়ে নিয়ে যাবেন। কিন্তু ৪৪ রানের জুটিটা ভেঙে যায় রানআউটের কারণে। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ রানআউট হয়ে যান ২৮ বলে ৩২ রান করে। মুশফিকুর রহিমও আশা জাগিয়ে আউট হয়েছেন ২১ রান করে। মেহেদী হাসান মিরাজ ২০ বলে ২৯ রান করে আউট হন।

Manual7 Ad Code

শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ গিয়ে থামে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩০৬ রানে। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ২টি উইকেট করে নেন সিন অ্যাবট এবং অ্যাডাম জাম্পা। ১ উইকেট নেন মার্কাস স্টোইনিজ।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code