‘আমি সরকার দলীয় প্রার্থী হয়েও কোণঠাসা অবস্থায় আছি’

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual8 Ad Code

নিউজ ডেস্কঃ 

Manual6 Ad Code

আমি সরকার দলীয় প্রার্থী হয়েও কোণঠাসা অবস্থায় আছি বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দলীয় মেয়র প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী। বুধবার রাতে শহরের দেওভোগস্থ বাসভবন ‘চুনকা কুঠিরে’ নারায়ণগঞ্জ খেলাঘর আসরের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় আইভী এসব কথা বলেন।

Manual2 Ad Code

তিনি বলেন, আমার মার্কা কিন্তু ওই আইভীই। যদিও আমার মার্কা ছিল মোমবাতি, মার্কা ছিল দোয়াত-কলম, মার্কা ছিল নৌকা, এখনো নৌকা কিন্তু আমি আপনাদের আইভী।

মেয়র আইভী বলেন, ২০১৬ সালের নির্বাচনেও আমি দেখেছি তখন সাখাওয়াত ভাই (বিএনপির সাবেক মেয়র প্রার্থী) সুবিধা পেয়েছিলেন। এবারো আমার চেয়ে বেশি সুবিধা পাচ্ছেন তৈমুর আলম খন্দকার কাকা। আমি তাকে অনুরোধ করবো কারো প্ররোচনায় প্রভাবিত না হয়ে ভোট চাইতে। আপনার ভোট আপনি চান, আমার ভোট আমি চাই। দুইজন যে যার মতো ভোট চাইবো।

Manual2 Ad Code

তিনি বলেন, আমি সরকার দলীয় প্রার্থী হয়েও কোণঠাসা অবস্থায় আছি।

Manual1 Ad Code

আইভী বলেন, আমি কখনোই পক্ষপাতিত্ব করে কাজ করিনি। আমি কখনওই দেখিনি কে কোন দল মতের বা কে কোন ধর্মের। আমি কোনদিন দেখিনি কে কোন দল করে। আমি সব সময়ই চেয়ারে বসে মানুষের সেবা করেছি।

তিনি বলেন, আমাকে সর্বস্তরের মানুষ পছন্দ করে। এ শহরের মানুষ আমার দ্বারা কখনো নির্যাতিত হবে না। শহরে কেউ খুন করবে, চাঁদাবাজি করবে আমি চুপ করে বসে থাকবো- এমনটা আমি না। নির্বাচন ঘিরে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র হচ্ছে প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে। আমরা জানি শহরবাসী জানে কারা এসব করছে। সুতরাং আমাদের এসব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে হবে। অনেকেই বলেন ট্যাক্স বাড়িয়ে দিয়েছি। এটা মিথ্যা কথা। ট্যাক্স বরং কম দিচ্ছে নগরবাসী। আর এ ট্যাক্সের টাকায় আমি নগর ভবন করেছি যাতে মানুষ বলতে পারে এটা তাদের টাকায় করা।

তিনি আরও বলেন, ষড়যন্ত্র না হলে এতদিনে শীতলক্ষ্যা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর হয়ে যেত। এক সময়ে অনেকেই আমার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলত। কিন্তু এগুলো টিকেনি। কারণ আমি কোনো দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত না। আমি নিঃস্বার্থভাবে সবার সেবা করেছি। তাই আমার দাবি আছে ভোট চাওয়ার। আমাকে আবার সুযোগ দিবেন, বঞ্চিত করবেন না।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
টপ নিউজ › রাজনীতি এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন:
‘বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের গন্তব্য বাংলাদেশ’ শিরোনামে বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে কানাডার এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ ও কানাডার আলবার্টা প্রদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগকে আরও শক্তিশালী করাতে প্রথমবারের মতো এ ধরনের সেমিনারের আয়োজন করা হয়। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন কানাডার বাংলাদেশ হাইকমিশনার মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলবার্টা প্রদেশের ক্যালগেরির এমপি জাসরাজ সিং হালান, ক্যালগেরি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অনুষদের অধ্যাপক ড. আনিস হক, মাউন্ট রয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসেট স্কুল অব বিজনেসের সহকারী অধ্যাপক ড. তাসফিন হোসেন। এ ছাড়া সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী উদ্যোক্তা চিকিৎসক আইনজীবী প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা। অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন বাংলাদেশ-কানাডা অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালগেরির সভাপতি মো. রশিদ রিপন এবং সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত বসু। সেমিনারের শুরুতেই বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও উন্নয়নের চিত্র বিনিয়োগ ইত্যাদির ওপর একটি প্রামাণ্য ভিডিওচিত্র পরিবেশিত হয়। এর পরই কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মিজানুর রহমান স্বাগত বক্তব্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে এবং বাংলাদেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধি দেশে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন ২০২১ ও ২০৪১ সম্পর্কে এবং বিগত ১১ বছরের চলমান বাংলাদেশের ধারাবাহিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের চিত্র সভায় উপস্থিত সবার কাছে তুলে ধরেন। এ ছাড়া সেমিনারে এমপি জাসরাজ সিং হালান তার বক্তব্যে বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনার বিষয় তুলে ধরেন। সেমিনারে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও আলবার্টা প্রদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্কিত তথ্যাদি উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সিলর (বাণিজ্যিক) মো. শাকিল মাহমুদ। সেমিনারে অধ্যাপক ড. আনিস হক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কানাডাতে প্রকৌশল বিষয়ে অধ্যয়নের সুযোগ-সুবিধার বিষয় তুলে ধরেন। ড. তাসফিন হোসেন তার উপস্থাপনায় তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনার চিত্র তুলে ধরেন। উল্লেখ্য, সেমিনারে মূলত আলবার্টা প্রদেশ ও বাংলাদেশের মধ্যকার বাণিজ্য ও বিনিয়োগ কীভাবে সম্প্রসারণ করা যায় সে বিষয়ে আলোকপাত করা ছাড়াও বর্তমানে বাংলাদেশে যে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে তা তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বা প্রদেশ বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের জন্য আহ্বান জানানো হয়। বর্তমান সরকার বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে বিনিয়োগকারীদের জন্য যেসব প্রণোদনা ও সুযোগ-সুবিধা প্রদান করছে সে বিষয়েও আলোকপাত করা হয়। খনিজসম্পদ, জ্বালানি ও গ্যাস, ভৌত অবকাঠামো, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, ওষুধ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ধরনের ইঞ্জিনিয়ারিং যন্ত্রাংশ, তথ্যপ্রযুক্তি, সফটওয়্যার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি ইত্যাদি বিষয়ে আলবার্টা প্রদেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিষয় আলোচনায় অগ্রাধিকার পায়। এ ছাড়া আলোচনায় আগত অতিথিদের বিভিন্ন ধরনের প্রশ্নের জবাব প্রদানের জন্য প্রশ্নোত্তর পর্বের ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।
৬ years ago
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code