আরব আমিরাত যুবরাজের সঙ্গে এরদোগানের ফোনালাপ

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual3 Ad Code

নিউজ ডেস্কঃ সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুবরাজ শেখ মুহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের (এমবিজেড) সঙ্গে ফোনালাপ করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান।

বুধবার তুরস্কের প্রেসিডেন্টের জনসংযোগ বিভাগ থেকে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। খবর ডেইলি সাবাহর।

এতে বলা হয়, ফোনালাপে দুই নেতা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বাধীনতার ৫০ বছর উপলক্ষ্যে এমবিজেডকে শুভেচ্ছা জানান এরদোগান।

১৯৭১ সালের ২ ডিসেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাত যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

নানা মতপার্থক্য দূর করে ধীরে ধীরে তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাত নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক মেরামতে আগ্রহী হয়ে ওঠেছে।

গত সপ্তাহে সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুবরাজ মুহাম্মদ বিন জায়েদ (এমবিজেড) তুরস্ক সফর করেছেন।

Manual2 Ad Code

২০১২ সালের পর আমিরাতের ডি ফ্যাক্টো নেতা ও দেশটির পররাষ্ট্রনীতির নির্ধারক এমবিজেডের এটি ছিল প্রথম আঙ্কারা সফর। দুই দেশই যে তাদের সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী, সেটি এ সফরের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে।

Manual4 Ad Code

এর আগে যুবরাজের ভাই, সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা তাহনুন বিন জায়েদ আল নাহিয়ান আগস্টে তুরস্কে সফর করেন। সেটি ছিল সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে প্রথম কোনো উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।

আমিরাতের যুবরাজের আঙ্কারা সফরের পরিপ্রেক্ষিতে এরদোগানও আবুধাবি সফরের পরিকল্পনা করছেন।

Manual3 Ad Code

তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, আমি আগামী ফেব্রুয়ারিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি। আমি যাওয়ার আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এমটিটি) প্রধান আমিরাত সফর করবেন। এ সফরের জন্য প্রস্তুতি থাকবে। এর পর ফেব্রুয়ারিতে আমি আশা করছি একটি বিশাল প্রতিনিধি দল নিয়ে আমিরাতে যাব এবং আমরা কিছু শক্তিশালী পদক্ষেপ নেব।

Manual6 Ad Code

তুরস্ক ও আরব আমিরাত মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক সংঘাতে একে অপরের প্রতিপক্ষ হিসেবে এতদিন মুখোমুখি অবস্থানে ছিল। লিবিয়ায় প্রক্সি যুদ্ধ এবং উপসাগর ও পূর্ব ভূমধ্যসাগর নিয়ে তাদের মতবিরোধ ছিল প্রকাশ্যে। এ ছাড়া মিসরে মুসলিম ব্রাদারহুডকে তুরস্ক প্রকাশ্যে সমর্থন দিলে এ অঞ্চলের অধিকাংশ দেশ নাখোশ হয়। কারণ সংযুক্ত আরব আমিরাত ও আরব দেশগুলো মুসলিম ব্রাদারহুডকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে করে।

এদিকে ২০১৬ সালে ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানে অর্থায়নের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতকে দায়ী করে তুরস্ক। এর পর থেকে দুই দেশের সম্পর্কে চিড় ধরে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code