

ডেস্ক রিপোর্ট: হুটহাট মনের ঘর ওলট-পালট করে দেয় আষাঢ়ের বৃষ্টি। এতে মনের অলিন্দে ঘর তোলে বসে নেতিবাচক ধারণারা। মুক্তির উপায় খুঁজি, চলুন।
চলার পথে ভারী হচ্ছে অভিজ্ঞতার ঝুলি। এই ঝুলিতে কি শুধুই খারাপ ঘটনারা হলি খেলে; নাকি ভালো ঘটনাও খলবলিয়ে ওঠে? দুটোই থাকে। তবে আমরা বিষয়টি সেভাবে অনুভব করতে পারি না। কেননা ভালো দিকগুলোর চেয়ে যে খারাপ দিকগুলোই আমাদের মনে বেশি দাগ কাটে। নিজেকে সুখী মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা নিতান্তই সহজ, যদি না আপনি হোন ইতিবাচক চিন্তা-ভাবনার অধিকারী। নিজের ওপর পরিপূর্ণ আস্থা থাকলেই নিজেকে আত্মবিশ্বাসী বা আশাবাদী হিসেবে দেখতে পাবেন। চলুন, আস্থা ফেরানো যাক নিজের ওপর–
ঈর্ষা হয়ে যাক শক্তি
নিজের মধ্যে আত্মবিশ্বাস তৈরির অন্যতম একটি উপায় হচ্ছে চিন্তার ধরনটাকে পাল্টে নেওয়া কিংবা যে কোনো বিষয়কে অন্যভাবে পর্যবেক্ষণ করা। ধরুন, আপনার কাঙ্ক্ষিত প্রমোশনটা দেওয়া হলো অন্যজনকে। এ ক্ষেত্রে আপনি কিছুটা ঈর্ষান্বিত এবং রাগান্বিত হবেন। এখানে আপনার হিংসাকে শক্তিতে রূপান্তরিত করুন। আরও বেশি কাজ করুন। অন্যদের সাফল্য যেন আপনাকে কোনোভাবেই গ্রাস না করে, বরং সেটি হোক আপনার কাজের অনুপ্রেরণা।
সুরের তালে তাল মিলিয়ে
সকালে অফিসে যাওয়ার পথে অনুপ্রেরণামূলক গান শুনুন। যেই গানটা আপনাকে সারাদিন উজ্জীবিত রাখবে। বাসায় বসে ক্লাসের পড়া শেষ করছেন, মৃদু শব্দেও এ ধরনের কিছু গানের একটি প্লে-লিস্ট বানিয়ে শুনতে থাকুন। মিউজিক আমাদের ভাব পরিবর্তনে বিশেষ ভূমিকা রাখে। তাই এর সুবিধাটা নেওয়া উচিত। মৃত্যু, ধ্বংস কিংবা মারামারি– এমন গান না শুনে ওইসব গান শুনুন, যেগুলো আপনার মনকে আনন্দে পরিপূর্ণ করবে।
ব্যস্ততার মাঝেও জীবনের সৌন্দর্য
জীবনকে যেভাবে উপভোগ করলে আপনি আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবেন সেভাবেই এগোন। অন্তত দিনের কিছুটা সময় রাখুন একান্ত নিজের জন্য। কাজে যাওয়া কিংবা ক্লাসে যাওয়া আমাদের কাছে বিরক্তিকর হলেও নিয়ম মেনে এসব করতে হয়। তবু এমন কিছু কাজ করা উচিত, যা একান্তই নিজস্ব এবং আপনাকে আনন্দ দেয়।
নেতিবাচকতায় না
‘কখনোই না’, ‘আমি পারি না’, ‘এটা সম্ভব নয়’– এমন নেতিবাচক কথা কখনোই ব্যবহার করবেন না। মনোযোগী হলে আপনি যে কোনো কিছুই করতে পারবেন বা পারেন। তাই কোনো কাজকে অসম্ভব মনে করে নিজের সঙ্গে প্রতারণা করার কোনো মানেই হয় না। নিজের ওপর আস্থা রাখুন। মনে রাখবেন, আপনি নিজেকে যতটা ভাবেন, তার চেয়ে অনেক বেশি স্মার্ট এবং শক্তিশালী আপনি।
থাকুক হাসিমুখ
যখন আপনি হাসিখুশি থাকতে চেষ্টা করবেন, তখন আপনার ব্রেইন ধরে নেয় যে আপনি খুশি। তাছাড়া হাসিখুশি থাকাটা নিজের ইচিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির বহিঃপ্রকাশ।