ইটনা সাবরেজিষ্টার অফিসের চিত্র বদলে দিয়েছেন রায়হান মিয়া
লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago
Manual3 Ad Code
আজাদ হোসেন বাহাদুল
ইটনা (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ বছর ঘুরে বছর আসে প্রশাসনিক নিয়মে কর্মকর্তার বদলে আসে কর্মকর্তা। কিন্তুু ব্যাতিক্রম হিসেবে থেকে যায় তাদের কর্মকান্ড। তেমনই একজন কর্মচঞ্চল মানুষ হলেন বর্তমান ইটনা উপজেলার সাবরেজিষ্টার কর্মকর্তা রায়হান মিয়া।
কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা উপজেলা সাবরেজিষ্টার অফিস হঠাৎ করেই যেন বদলে গেল। এই আকস্মিক পরিবর্তনে সবার নজর কারে অনায়াসে বারবার। সেবা নিতে আসা উপজেলার জনসাধারণ কাঙ্খিত সেবা ও সাবরেজিষ্টারের অমায়িক ব্যবহারে মহা খুশি। আগে এ অফিসের সেবার মান নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন থাকলেও নিঃসন্ধেহে এখন আর সেই প্রশ্ন নেই। এর সবকিছুই সম্ভব হয়েছে নতুন সাবরেজিষ্টার রায়হান মিয়ার যোগদানের পর থেকে। জানাযায় ২০১৮ সালের ১২ নভেম্বর রায়হান মিয়া ইটনা উপজেলা সাবরেজিষ্টার হিসেবে যোগদান করেন। গত বুধবার সকালে সরজমিন পরিদর্শনে গিয়ে কথা হয় কয়েক জন সেবা গ্রহিতার সাথে তারা জানান আমরা এর আগেও কয়েক বার এ অফিসে দলিল রেজিষ্ট্রি করার জন্য এসেছি কিন্তুু এ অফিসারের ব্যবহার আমাদের মুগ্ধ করেছে। এমন অফিসার যদি সারা বাংলাদেশে থাকতো তাহলে প্রশাসনের চেহারাই বদলে যাইতো। এক পর্যায়ে কথা হয় সাবরেজিষ্টার রায়হান মিয়ার সাথে তিনি জানান আমি এখানে যোগদান করার পর থেকে সাবরেজিষ্টার অফিসে সেবা নিতে আসা সেবা গ্রহিতাদের কে যতদ্রুত সম্ভব সেবা প্রদান করা যায় সে বিষয়ে কার্যালয়ের সহকর্মীদের নির্দেশ দেই। বিশেষ করে নকল নবিশদের ধীর গতির কার্যক্রমকে গতিশীল করতে কার্যালয়ের নকল নবিশদের শোকজ করি। নকল নবিশরা সন্তোষজনক জবাব দিয়ে অফিসের কাজে মনোযোগী হন। এতে আগে যেখানে দলিল গ্রহিতারা ১০/১২ বছর পর মুল দলিল ফেরত পেতেন এখন দলিল গ্রহিতারা ৩/৪ বছরের মধ্যে দলিল বুঝে পাবে আশা করছি। অফিস চত্বর পরিস্কার-পরিছন্ন রাখার চেষ্টা করছি। সেবা গ্রহিতাদের সুপেয় পানি পান করার ব্যাবস্থা করা হয়েছে। নিয়মিত অফিস করছি। বর্তমানে পাশ্ববর্তী মিঠামন উপজেলা সাবরেজিষ্টার হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছি ওখানে সপ্তাহে ২ দিন অফিস করছি। আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি নতুন বছরে হাতে লিখা দলিলের পাশাপাশি কম্পিউটার টাইফ করে দলিল লিখা চালু করতে। তিনি বলেন আর আমার কাজে সর্বাত্মক সহযোগীতা করেছেন কিশোরগঞ্জ ৪ আসনের সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহম্মদ তৌফিক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাফিসা আক্তার ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান চৌধুরী কামরুল হাসান। তাদের আন্তররিক সহযোগীতায় এ অফিসকে সেবা মুলক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করাই আমার মুল লক্ষ্য। সব শেষে তিনি উপজেলা বাসীর দোয়া ও শুভ কামনা প্রত্যাশা করেন।