ইরানকে স্থল বাণিজ্য পথ খুলে দিলো পাকিস্তান

লেখক: Rumie
প্রকাশ: ৪ সপ্তাহ আগে

Manual4 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট:প্রণালীতে মার্কিন নৌ-অবরোধ এবং ইরানি বন্দরগুলোর ওপর বিধিনিষেধের ফলে করাচি বন্দরে আটকা পড়া হাজার হাজার কন্টেইনার গন্তব্যে পৌঁছাতে নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ছয়টি স্থল ট্রানজিট রুট আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করেছে পাকিস্তান।আজ শনিবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা তাদের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।গত ২৫ এপ্রিল পাকিস্তানের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় পণ্য পরিবহন সংক্রান্ত একটি বিশেষ আদেশ জারি করেছে, যা অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে। এই আদেশের ফলে তৃতীয় কোনো দেশ থেকে আসা পণ্য এখন পাকিস্তানের সড়কপথ ব্যবহার করে সরাসরি ইরানে পৌঁছাতে পারবে। মূলত করাচি বন্দরে কয়েকদিন ধরে আটকে থাকা প্রায় ৩ হাজার কন্টেইনার খালাস ও তেহরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক ধারা সচল রাখতেই এই বিকল্প পথ বেছে নেওয়া হয়েছে।

Manual7 Ad Code

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের সঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পরপরই এই ঘোষণাটি এল। দুই মাসব্যাপী ইরান-মার্কিন যুদ্ধ অবসানে পাকিস্তান যে মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে, এই বাণিজ্য করিডোর তাকে আরও গতিশীল করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাকিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রী জাম কামাল খান এই উদ্যোগকে আঞ্চলিক বাণিজ্য প্রসারে একটি বড় পদক্ষেপ এবং পাকিস্তানকে দক্ষিণ এশিয়ার প্রধান বাণিজ্যিক হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা বলে অভিহিত করেছেন।

Manual3 Ad Code

ঘোষিত ছয়টি রুট পাকিস্তানের প্রধান তিনটি বন্দর করাচি, পোর্ট কাসিম ও গোয়াদরকে ইরানের গাবদ ও তাফতান সীমান্ত পারাপারের সঙ্গে যুক্ত করবে। এর মধ্যে গোয়াদর-গাবদ করিডোরটি সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত, যার মাধ্যমে মাত্র দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে ইরানি সীমান্তে পৌঁছানো সম্ভব হবে। করাচি বন্দর থেকে যেখানে সীমান্তে পৌঁছাতে ১৮ ঘণ্টা সময় লাগত, সেখানে এই নতুন রুট পরিবহন খরচ প্রায় অর্ধেক কমিয়ে আনবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে এই ট্রানজিট সুবিধা ভারতের জন্য প্রযোজ্য হবে না; পূর্বের আকাশযুদ্ধের জেরে ভারতীয় পণ্যের ওপর জারি থাকা নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা হয়েছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code