ইরান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত রাশিয়াই একমাত্র ‘বিজয়ী’: ইইউ প্রধান কোস্তা

লেখক: Rumie
প্রকাশ: ৫ মাস আগে

Manual8 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট : ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত একমাত্র লাভবান দেশ হলো রাশিয়া- এমন মন্তব্য করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান আন্তনিও কোস্তা। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলা এবং তেহরানের পাল্টা আঘাতের ফলে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় মস্কো লাভবান হচ্ছে। ব্রাসেলস থেকে এএফপি জানায়, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলোর প্রতিনিধিত্বকারী ইউরোপিয়ান কাউন্সিলের সভাপতির দায়িত্বে থাকা কোস্তা মঙ্গলবার ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে এ কথা বলেন।

Manual4 Ad Code

তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত এই যুদ্ধে রাশিয়া একমাত্র বিজয়ী।’কোস্তা বলেন, ‘আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে রাশিয়া ধারাবাহিকভাবে ইউক্রেনের অবস্থান দুর্বল করছে। একই সঙ্গে জ্বালানির দাম বাড়ায় তারা নতুন অর্থনৈতিক সম্পদ পাচ্ছে, যা ইউক্রেনের বিরুদ্ধে তাদের যুদ্ধ চালিয়ে যেতে সহায়তা করছে।’ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্ব জ্বালানি ও পরিবহন খাতে বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। ইরানের পাল্টা হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত হরমুজ প্রণালীতে কার্যক্রম প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার বলেন, তেলের সরবরাহ বাড়ানো ও দাম কমাতে ওয়াশিংটন কিছু তেল-সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে।তবে ট্রাম্প কোন দেশের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে বা কী ধরনের নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হবে—সে বিষয়ে কোনো বিস্তারিত জানাননি। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপের পরই এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

Manual1 Ad Code

মস্কোর তেল আয়ের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ দীর্ঘদিন ধরেই পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার একটি প্রধান লক্ষ্য ছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পুতিনের অর্থায়নের সক্ষমতা সীমিত করা। এদিকে ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো ও শহরগুলোতে রাশিয়ার হামলা অব্যাহত থাকায় দেশটির জরুরি ভিত্তিতে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রয়োজন। তবে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে এখন এসব সামরিক সরঞ্জামের চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। কোস্তা বলেন, ‘আমরা এখন একটি নতুন বাস্তবতায় বাস করছি, যেখানে রাশিয়া শান্তি লঙ্ঘন করছে, চীন বাণিজ্য ব্যবস্থাকে ব্যাহত করছে এবং যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থাকেই চ্যালেঞ্জ করছে।’

তিনি আরও বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ‘দীর্ঘদিন ধরে কষ্ট সহ্য করা ইরানের জনগণের’ পাশে রয়েছে এবং তারা যেন নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে, সেই অধিকারের প্রতি সমর্থন জানায়। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘স্বাধীনতা ও মানবাধিকার বোমার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না। কেবল আন্তর্জাতিক আইনই তা নিশ্চিত করতে পারে।’mকোস্তা আরও বলেন, ‘আরও উত্তেজনা বৃদ্ধি এড়িয়ে চলতে হবে। এমন পথ মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ এবং তার বাইরের অঞ্চলগুলোর জন্য বড় ধরনের হুমকি তৈরি করতে পারে।’

Manual6 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code