উত্তর আমেরিকার প্রবাসীদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী মোজাম্মেল হক এমপি’র নিকট একটি আবেদন

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual6 Ad Code

নিউজ ডেস্কঃ মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ন জয়ন্তী উপলক্ষে আমরা স্বাধীন দেশের অবহেলিত কিছু প্রত্যাশা নিয়ে একটি আবেদন করছি।

Manual3 Ad Code

নিজের জীবন দিয়ে সব চেয়ে বেশি যাদের অবদান আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সেই শহীদদের কোন তালিকা এবং সন্মান প্রদর্শন করার কোন কার্যক্রম এখনো করা হয়নি। স্বাধীনতার পর পর বঙ্গবন্ধু একবার চিঠি পাঠিয়ে অর্থিক সহায়তা করেছিলেন।

Manual7 Ad Code

বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে মুক্তিযুদ্ধের শহীদ এবং তাদের পরিবার আজকে বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যেতেন না। জাতীর জন্য এটি শুধু দুঃখজনক ই নয় এটি বড়ই অপমান জনক। অনেক দিন থেকে শুনছি সরকার শহীদ দের তালিকা তৈরী করার কাজ হাতে নিয়েছেন তবে ৫০ বছরে ও আজ আমরা কিছুই এখনো পাইনি।

Manual2 Ad Code

মুক্তি যুদ্ধের সকল শহীদ পরিবার গত ৫০ বছর কোনো সহায়তা বা সন্মান ছাড়াই বহু দুঃখ কষ্টে বেঁচে ছিলেন বা অনেকে ধ্বংস হয়ে গেছেন। আমরা খবর রাখিনি এবং জানার ও চেষ্টা করিনি, এই দায়বদ্ধতা আমাদের সীমাহীন লজ্জার ও দুঃখের কাহিনী।

আমাদের আবেদন এই বছর থেকে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের সময় এলাকার সকল শহীদ এবং তাদের পরিবারের বাড়ীতে সরকার বা বেসরকারি পর্যায়ে সন্মান প্রদর্শন করার প্রথা চালু করা. প্রশাসন থেকে সরকারি ভাবে কমপক্ষে তাদের বাড়িতে একটি পতাকা আর একটি পোস্টার “মুক্তি যুদ্ধের এক মহান শহীদকে ও তার পরিবারকে জাতির পক্ষ থেকে বিনম্র শ্রদ্ধা” দেয়া যেতে পারে। আমরা স্থানীয় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সচেতন মানুষে বা সংগঠনকে এই কার্যক্রমের সহায়তা এবং অনতিবিলম্বে তা প্রয়োগ করার জন্য আবেদন জানাচ্ছি।

আমরা চাই স্থানীয় সরকার প্রত্যেক এলাকায় অনতিবিলম্বে শহীদ দের তালিকা জোগাড় করতে এবং স্বাধীতয়তার ৫০ বছরের বিজয় দিবস থেকে সীমিত ভাবে হলেও এই প্রথা চালু করতে। কোন জটিলতা উপেক্ষা করে প্রয়োজন হলে সাধারণ মানুষ বা সংগঠন নিজ থেকে আগ্রহী হযে এগিয়ে আসবেন।
উত্তর আমেরিকার প্রবাসীদের পক্ষ থেকে

Manual1 Ad Code

অধ্যাপক ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ বুদ্ধিজীবির সন্তান, ডাঃ মাসুদুল হাসান, মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ বুদ্ধিজীবির সন্তান।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code