

ডেস্ক রিপোর্ট: বিদেশী দক্ষ কর্মীদের জন্য বহুল প্রচলিত এইচ-১বি ভিসার আবেদন ফি ১ লাখ ৩ হাজার ডলার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।মার্কিন ট্রেজারি ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের এই যৌথ পদক্ষেপের ফলে আমেরিকান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এবং দেশটিতে কর্মরত বহুজাতিক সংস্থাগুলোর ওপর বিশাল আর্থিক চাপ তৈরি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মার্কিন শ্রমবাজারের স্বার্থ রক্ষা এবং আমেরিকান কর্মীদের কর্মসংস্থানকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির অংশ হিসেবেই ওয়াশিংটন এই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে।নতুন ফি কাঠামো অনুযায়ী, প্রতিজন এইচ-১বি ভিসাধারী কর্মীর স্পন্সরশিপের জন্য বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে এখন পূর্বের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি অর্থ গুনতে হবে। সংগৃহীত এই বাড়তি অর্থ দেশীয় নাগরিকদের প্রযুক্তি ও পোশাক শিল্পে প্রশিক্ষণ প্রদানের কাজে ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
হোয়াইট হাউসের দাবি, কম ফি থাকার সুযোগে এতদিন অনেক প্রতিষ্ঠান স্থানীয় মেধাবীদের বাদ দিয়ে বিদেশ থেকে সস্তা শ্রমে কর্মী নিয়োগ দিত। তবে সিলিকন ভ্যালির প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে আমেরিকার উদ্ভাবনী শিল্প প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পিছিয়ে পড়বে এবং বিশেষ করে ছোট স্টার্টআপগুলোর জন্য নতুন কর্মী নিয়োগ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠবে।ভারত ও চীনের হাজার হাজার আইটি প্রকৌশলী, যারা প্রতি বছর এইচ-১বি ভিসার বড় অংশ পেয়ে থাকেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই নতুন ফি বৃদ্ধির ফলে সবচেয়ে বড় ঝুঁকির মুখে পড়বেন।