এক ওভারে দুই আঘাত তাইজুলের, ফেরালেন বেনেট-ওয়েলচকে

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ১ বছর আগে

Manual2 Ad Code

স্পোর্টস ডেস্ক:

৪৪৪ রানের বিশাল সংগ্রহ তুলে প্রথম ইনিংসে ২১৭ রানের লিডও পেয়েছে বাংলাদেশ। এরপর দ্বিতীয় ইনিংস খেলতে নামা জিম্বাবুয়ে শিবিরে শুরুতেই আঘাত হেনেছেন তাইজুল ইসলাম। জিম্বাবুয়ের ইনিংসের সপ্তম ওভারের প্রথম বলেই ওপেনার ব্রায়ান বেনেটকে সেকেন্ড স্লিপে সাদমা ইসলামের হাতের ক্যাচ বানান বাঁহাতি স্পিনার।

ওই ওভারের তৃতীয় বলে নতুন ব্যাটার নিকোলাস ওয়েলচকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন তাইজুল। এতে দলীয় ৮ রানে ২ উইকেট হারিয়ে শুরুতেই চাপে পড়েছে জিম্বাবুয়ে।

এই প্রতিবেদন লেখার সময় জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ৮ ওভারের খেলা শেষে ২ উইকেটে ১০ রান। বেন কারেন ও শন উইলিয়ামস দু’জনই ২ রানে অপরাজিত।

Manual8 Ad Code

চট্টগ্রাম টেস্টে এর আগে সাদমান ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজের সেঞ্চুরিতে প্রথম ইনিংসে ১২৯.২ ওভারে ৪৪৪ রান করে বাংলাদেশ। আর জিম্বাবুয়ে প্রথম ইনিংসে অলআউট হয়েছিল ২২৭ রানে।

আজ বুধবার চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে ৭ উইকেটে ২৯১ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। মাত্র ২.৪ ওভার খেলা হতেই বৃষ্টি নামে। ফলে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন ক্রিকেটাররা।

ভক্তদের জন্য সুসংবাদ- গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ১৫-১৬ মিনিটের বৃষ্টির পর ফের খেলা শুরু হয়েছে। বৃষ্টি থামার পর যথারীতি ব্যাটিংয়ে নামেন বাংলাদেশ দলের দুই অপরাজিত ব্যাটার মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম।

অষ্টম উইকেটে ৬৩ রানের জুটি করেন মিরাজ ও তাইজুল। টাইগারদের এই জুটি ভাঙেন জিম্বাবুয়ের অভিষিক্ত স্পিনার ভিনসেন্ট মাসেকেসা। তাইজুলকে উইকেটরক্ষক তাফাদজওয়া সিগার হাতের ক্যাচ বানান তিনি। ৩৪২ রানে ৮ উইকেট হারায় বাংলাদেশের। ৪৫ বলে ২০ রান করে সাজঘরে ফেরেন তাইজুল।

Manual2 Ad Code

নিজেদের দিন বলে কথা। সে কারণে নবম উইকেটেও দারুণ এক জুটি হয়ে গেল বাংলাদেশের। মিরাজ ও তানজিম হাসান সাকিবের ৯৬ রানের এই জুটিতে বড় সংগ্রহের আভাসই দিচ্ছিলো স্বাগতিকরা। যদিও ততক্ষণেই দলীয় সংগ্রহ ৪০০ পেরিয়ে গেছে।

৮০ বলে ৪১ রানের দারুণ ও কার্যকর ইনিংস খেলে আউট হন তানজিম সাকিব। ওয়েসলি মাধভেরের বলে নিকোলাস ওয়েলচের হাতে ক্যাচ হন সাকিব।

নতুন ও সর্বশেষ ব্যাটার হাসান মাহমুদকে নিয়ে খুব বেশি এগোতে পারেননি মিরাজ। তবে টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরিটা করে ফেলেছেন ঠিকই। মিরাজ যখন ৯৯ রানে অপরাজিত, হাসান মাহমুদ তখন স্ট্রাইপ্রান্তে। তবে জিম্বাবুইয়ান স্পিনার মাসেকেসাকে কোনোমতে ঠেকিয়ে রাখেন হাসান। পরে স্ট্রাইকে গিয়ে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন মিরাজ।

Manual4 Ad Code

মিরাজ লাল বলের ক্যারিয়ারে প্রথম সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। সেই শতকটাও তিনি করেছিলেন চট্টগ্রামে। চার বছর পর আজ বুধবার দ্বিতীয়বার তিন অংকের ম্যাজিক সংখ্যা স্পর্শ করেছেন মিরাজ। ভেন্যুও সেই একই, চট্টগ্রাম।

১৬২ বলে ১০৪ রান করে মাসেকাসের বলে স্টাম্পড হন মিরাজ। জিম্বাবুইয়ান স্পিনারকে সামনে এসে উড়িয়ে মারতে চেয়েছিলেন টাইগার ব্যাটার। তবে ব্যাটে-বলে সংযোগ না ঘটায় বল চলে যায় উইকেটরক্ষক তাফাদজওয়া সিগার হাতে। মিরাজকে ফেরাতে বাকি কাজটা তিনিই সারেন।

Manual5 Ad Code

১৬ বল খেলেও ০ রানে অপরাজিত থাকেন হাসান মাহমুদ। এর আগে ১২০ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলেছেন ওপেনার সাদমান ইসলাম।

জিম্বাবুয়ের হয়ে ১১৫ রানে ৫ উইকেট শিকার করেন ভিনসেন্ট মাসেকেসা। ব্লেসিং মুজারাবানি, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা, ব্রায়ান বেনেট ও ওয়েসলি মাধভেরে ১টি উইকেট নেন।

ডেস্ক: এস

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code