ওষুধের মূল্যবৃদ্ধি রোধে সরকারের হস্তক্ষেপ জরুরি

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual5 Ad Code

সম্পাদকীয়: করোনায় ত্তষুধের মূল্য বেড়ে গেছে। এমনিতেই মানুষ জীবন সংগ্রাম নিয়ে ব্যস্ত সেখানে সহজলভ্য ত্তষুধ পাত্তয়া মরার ত্তপর খাড়ার ঘ্যা হিসাবে দেখা দিয়েছে। কোভিড-১৯ চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধের দাম বেড়েছে দেড় থেকে দুইগুণ, ভিটামিনজাতীয় ওষুধের দাম তিন থেকে চারগুণ, শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগের ওষুধের দাম দেড় থেকে দুইগুণ বেড়েছে। পাশাপাশি বেড়েছে সর্দি-জ্বর, মাথাব্যথা, কাশির ওষুধের দামও। বাদ পড়েনি অ্যান্টিবায়োটিক ও রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করার ওষুধও। করোনা চিকিৎসায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে রেমডিসিভির। ঔষধ প্রশাসন এর দাম ৪ হাজার টাকা নির্ধারণ করে দিলেও বিভিন্ন স্থানে তা বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে ৭ হাজার টাকায়।

Manual8 Ad Code

এছাড়া করোনা চিকিৎসায় ব্যবহৃত ফেভিপেরাডিনের নির্ধারিত মূল্য ২০০ টাকা হলেও তা বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়। ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণে দেশে তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই। ১৯৯৪ সালের এক সরকারি আদেশ অনুযায়ী মাত্র ১১৭টি ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারে সরকার। এই ১১৭টি ওষুধের অর্ধেকই এখন আর ব্যবহৃত হয় না। ফলে কার্যত প্রায় গোটা ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে দেশি ওষুধ কোম্পানিগুলো। তারা কাঁচামালের দাম বৃদ্ধির অজুহাতে ইচ্ছামতো বাড়িয়ে দেয় ওষুধের দাম। সরকারের দায়িত্ব জনগণের চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, এক্ষেত্রে যাবতীয় প্রতিবন্ধকতা নিরসনে উদ্যোগী হওয়া।

Manual3 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code