ওয়ার্নার-জনসনকে নিয়ে বসতে চান পন্টিং

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ২ years ago

Manual8 Ad Code

নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট এখন মিচেল জনসন-ডেভিড ওয়ার্নার বিতর্কে তোলপাড়। ফর্মহীন এবং ‘স্যান্ডপেপার কেলেঙ্কারি’তে জড়িত ওয়ার্নারকে কেন ‘নায়কোচিত’ বিদায় দেওয়া হচ্ছে, এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন জনসন। যার জেরে প্রধান নির্বাচক জর্জ বেইলি, ওয়ার্নারের ব্যবস্থাপক হতে শুরু করে সাবেক ক্রিকেটারদের কয়েকজন মন্তব্য করেছিলেন।

Manual5 Ad Code

এবার ওয়ার্নার-জনসন বিতর্কে মুখ খুলেছেন বিশ্বকাপজয়ী সাবেক অধিনায়ক রিকি পন্টিং ও স্টিভ ওয়াহও। এর মধ্যে দুই পক্ষের বিরোধ সমাধানে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছেন পন্টিং, যিনি তাঁর খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ারের শেষ দিকে জনসন-ওয়ার্নার দুজনেরই অধিনায়ক ছিলেন।

Manual4 Ad Code

২০১৯-২০ মৌসুমের পর থেকে টেস্টে ওয়ার্নারের গড় মাত্র ২৮ রান। ২০২০ সালের পর টেস্টে শতক মাত্র একটি। একই সময়ে অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেটে দারুণ পারফর্ম করে দলে ঢোকার দাবি জানিয়ে রেখেছেন ক্যামেরন ব্যানক্রফট, ম্যাট রেনশরা।

এমন প্রেক্ষাপটে ফর্মহীন ওয়ার্নারকে তাঁর ইচ্ছানুসারে অবসর নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়ায় ওয়েস্ট অস্ট্রেলিয়ান-এ লেখা কলামে প্রধান নির্বাচক জর্জ বেইলি ও ওয়ার্নারের সমালোচনা করেন জনসন। যা শুনে জনসনের মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বেইলি। ওয়ার্নার এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা না বললেও অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ও সাবেক ক্রিকেটারদের সঙ্গে জনসনের সমালোচনা নিয়ে যোগাযোগ করেছেন বলে জানিয়েছে সিডনি মর্নিং হেরাল্ড।

Manual6 Ad Code

কয়েক দিন ধরে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটে আলোচিত এই ওয়ার্নার-জনসন বিতর্ক থামা দরকার বলে মনে করেন পন্টিং। সেভেন নেটওয়ার্কের ব্রেকফাস্ট শো সানরাইজে সাবেক এই অধিনায়ক সমাধানে উদ্যোগী হওয়ার কথাও বলেছেন, ‘একটা পর্যায়ে দুজনকে নিয়ে আমাকে বসতে হবে। ওদের মধ্যে আমার মধ্যস্থতাকারী হওয়া দরকার। বাইরে গণমাধ্যমে বলাবলির চেয়ে দুজনকে এক কক্ষে ঢুকিয়ে সামনাসামনি কথা বলাতে হবে।’

জনসনের ভাষ্য, ওয়ার্নারের সঙ্গে তাঁর বিরোধের সূত্রপাত এপ্রিলে। তখন ওয়ার্নারের স্ত্রী ক্যান্ডিস অ্যাশেজের দলে ‘ওয়ার্নারের বিকল্প নেই’ মন্তব্য করলে সেটিকে ‘ক্রিঞ্জি’ বা ‘সস্তা’ বলে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন জনসন। এর প্রতিক্রিয়ায় জনসনকে টেক্সট করেন ওয়ার্নার।

Manual4 Ad Code

দুজনের দূরত্বের বিষয়টি উল্লেখ করে ২০০৩ ও ২০০৭ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক পন্টিং বলেন, ‘দুজনই খানিকটা অভিমানী স্বভাবের। এই ব্যাপার শুরু হয়েছে ছয় থেকে আট মাস আগে, অ্যাশেজের দল নির্বাচনের সময়ে। মনে হচ্ছে, দুজনের একসঙ্গে বসে মুখোমুখি কথা বলা ছাড়া ব্যাপারটা শেষ হবে না। আমি চাই (দুজন) মুখোমুখি বসুক।’

অস্ট্রেলিয়ার আরেক সাবেক অধিনায়ক স্টিভ ওয়াহও বিষয়টির সমাধান চান। জনসন ও ওয়ার্নারের বিরোধ ‘মীমাংসা হওয়া দরকার’ মন্তব্য করে ১৯৯৯ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক বলেন, ‘ওরা দুজনই প্রাপ্তবয়স্ক। দুজনের নিজস্ব মতামত আছে। তবে ওদেরকে সমালোচনাও সামাল দিতে হবে।’

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code