

জোনাকীরা পরে থাকে
আঁধার গুহায় আর
নৈ:শব্দের ঘোড়সওয়ার
চাবুক হানে সময়ের দরোজায়।
অসহায় কপোতিরা শীতল চোখে
করে নেয় দৃষ্টি বিনিময়।
ঠোঁটে ঠোঁট মেলাবার
নেই অবসর।
দারুণ খরা এখন ভালোবাসার।
বাতাসে ছড়িয়ে আছে
করোনা ভাইরাস।
বাতাস ভারী হয়
হুতোম পেঁচার ডাকে।
নিঝুম ভাবনাঘোরে একলাই ছটফট
কবিতারা বিমুখ হয়
কবির হতাশায় অনুক্ষণ।
মাকড়সার জাল জুড়ে
দারুণ শিকার
কুয়াশার দাক্ষিণ্যে আজ বিপুল আহার।
টুপটাপ জলের পতন,
অবচেতন শিকারি
অসহায় আজ ভীষণ রকম।
বোধের উঠোন জুড়ে
জমতে থাকে অগণিত পানফুল।
হরেক রূপ ধরে আচমকা
এরা হয় রুপোর নোলক।
নোলকটি পরে যায়
গভীর জল থৈ থৈ
নদীর মোহনায়।
অত:পর
গোগ্রাসে গিলে নেয়
রাঘব বোয়াল।
হায় পানফুল!
হায় রুপোর নোলক!
কবিতায় আজ শুধু
করুণ হাহাকার।
ভালোবাসার জমিনে আজ
পাপের স্বৈরাচার।
লেখকঃ কবি ও সংগঠক
উপদেষ্টা সম্পাদক, ত্রৈমাসিক শব্দকথা।