কমলগঞ্জের প্রকৃতি সেজেছে শরতের কাশফুলে

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৯ মাস আগে

Manual8 Ad Code

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি

Manual7 Ad Code

শরতের আগমন মানেই সাদা মেঘ, নীল আকাশ আর দুলতে থাকা কাশফুলের সারি। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ পৌরসভা অফিস সংলগ্ন মাঠে-ঘাটে, জমির আইল, নদীর তীরে আর পুকুরপাড়ে এখন শোভা ছড়াচ্ছে শুভ্র কাশফুল বাংলা প্রকৃতির এক অনুপম দৃশ্যপট।

Manual1 Ad Code

বাংলা সংস্কৃতিতে কাশফুল শুধু ঋতুর বার্তাবাহক নয়, সৌন্দর্য, শান্তি ও নান্দনিকতার প্রতীক। শরতের মৃদুমন্দ হাওয়ায় এ ফুলের দোল যেন প্রকৃতির সুর হয়ে বাজে। কবি-সাহিত্যিকরা তাই শরৎকে আখ্যা দেন ‘ঋতুর রানী’।

Manual8 Ad Code

ছন গোত্রীয় ঘাসজাতীয় এ উদ্ভিদের রং ধবধবে সাদা, তবে এর পাতা খসখসে ও ধারালো। একসময় গ্রামীণ জীবনে কাশগাছের ব্যবহার ছিল বহুমুখী জ্বালানি, ঘর ও পানের বরজের ছাউনি কিংবা ঝাড়ু তৈরিতে। বর্তমানে সংখ্যা কমে গেলেও এখনো কমলগঞ্জ পৌর এলাকা, শমশেরনগর, আদমপুর, ইসলামপুর, মাধবপুর, আলীনগরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে দেখা যায় কাশফুলের অপরূপ সৌন্দর্য।

Manual3 Ad Code

কাশবনে ঘুরতে আসা শুভ ও সাগর জানান, “কাশফুল অনেকটা ময়ূরের পালকের মতো হলেও একেবারেই সাদা। আগে গ্রামবাংলায় এর ব্যবহার ছিল অনেক বেশি, এখনো কিছু এলাকায় তা দেখা যায়।”

দর্শনার্থী আহমেদুজ্জামান আলম ও রাজন আবেদীন বলেন, “কাশফুল শুধু প্রকৃতিকে নয়, গ্রামীণ জীবনেরও অংশ। ঝরে যাওয়ার পর এর ডগা দিয়ে ঝাড়ুসহ নানা জিনিস তৈরি হয়। তবে এখন এ গাছ বিলুপ্তির পথে, তাই সংরক্ষণ করা জরুরি।”

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাখন চন্দ্র সূত্রধর বলেন, “উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নদীর ধারে, রাস্তার পাশে আর ফাঁকা জমিতে কাশফুলের অপরূপ দৃশ্য সত্যিই মনোমুগ্ধকর।

প্রকৃতির ক্যানভাসে শুভ্র কাশফুল যেন নীরব ভাষায় জানিয়ে দেয় শরৎ এসে গেছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  • কমলগঞ্জের প্রকৃতি সেজেছে শরতের কাশফুলে
  • Manual1 Ad Code
    Manual3 Ad Code