করোনা পরিস্থিতি: পর্যটন শিল্পকে ঘুরে দাঁড়ানোর নানামুখী উদ্যোগ নিতে হবে

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual4 Ad Code

সম্পাদকীয়: আগামী দিনের পর্যটকরা নিরাপত্তা বলতে শুধু শারীরিক নিরাপত্তা গণ্য করবে না, তারা তাদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তারও বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খেয়াল করবে। ফলে তারা ভ্রমণস্থান নির্বাচনের সময় এ বিষয়টি সম্পর্কে অনেক বেশি সচেতন থাকবে। এখন পর্যটকরা বেশি ভিড় এড়ানোর চিন্তাভাবনা করবে। তারা খুঁজবে শান্ত, কোলাহলমুক্ত পরিবেশ, যে কারণে এখন ভেনিজুয়েলা, চিলিসহ দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোর কিছু কিছু শান্ত কোলাহলমুক্ত প্রকৃতি সমৃদ্ধ স্থান আস্তে আস্তে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। আমাদেরও খুঁজে দেখতে হবে নতুন নতুন শান্ত কোলাহলমুক্ত গন্তব্য স্থান। পর্যটকদের যে কোনো স্থানে যাওয়ার অধিকার থাকতেই পারে। কিন্তু বৃহত্তর স্বার্থের কারণে কিছু কিছু অসুরক্ষিত স্থানে পর্যটকদের যাওয়া সীমাবদ্ধ করতেই হবে। এজন্য কিছু আর্থিক ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে। পৃথিবীর বহু দেশেই অনেক পর্যটন আকর্ষণীয় স্থান সুরক্ষার জন্য পর্যটকদের নামে লেভি দিতে হয়। আমাদের সেন্টমার্টিন দ্বীপ এখন সংকটাপন্ন অবস্থায় আছে। আমরা আজ থেকে ৬ বছর আগে এক গবেষণায় বের করেছিলাম, সেন্টমার্টিন দ্বীপে কোনোমতেই প্রতিদিন দু’হাজারের বেশি মানুষ যেতে দেয়া ঠিক নয়। পর্যটকরা অবশ্যই সেন্টমার্টিন দ্বীপে যাবে। তবে প্রতি পর্যটককে মাথাপিছু লেভি দিতে হবে। সরকারই ঠিক করবে তার পরিমাণ কতটুকু হবে। অর্জিত সেই অর্থ দিয়ে সেন্টমার্টিন দ্বীপের রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করা হবে। বিশ্ব পর্যটন সংস্থাও প্রাথমিকভাবে অভ্যন্তরীণ পর্যটন নিয়েই কাজ শুরু করার উপদেশ দিয়েছে। আপাতত আমাদের বিদেশি পর্যটকদের নিয়ে ভাবনার প্রয়োজন নেই। কারণ বাংলদেশ এখন নিরাপদ’ দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারেনি। আর পরিপূর্ণভাবে বিশ্বব্যাপী এয়ার নেটওয়ার্কও চালু হয়নি। এ ছাড়া বিদেশি পর্যটকরা এখন গন্তব্যস্থান খুঁজে নেয়ার ব্যাপারে যথেষ্ট সচেতন। সুতরাং আমাদের এখন সার্বিকভাবে অভ্যন্তরীণ পর্যটনের দিকেই খেয়াল রাখা প্রয়োজন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code