

ডেস্ক নিউজ:
প্রতি বছর ৫ মে ওয়ার্ল্ড অ্যাজমা ডে বা বিশ্ব হাঁপানি দিবস পালিত হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-র রিপোর্ট অনুযায়ী হাঁপানিতে ৮০ শতাংশ লোক মারা যায় নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে। এখন চলছে মহামারি করোনাকাল। আর করোনার প্রধান ভয়াবহ উপসর্গই শ্বাসকষ্ট। আবার হাঁপানির উপসর্গও এটি। বিশেষজ্ঞরা বলেন, পরিবারের কারো সমস্যা থাকলে, অ্যাজমা হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায় অনেকখানি। হাঁপানি সারানো যায় না। কিন্তু চেষ্টা করলেই তা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। আর তার জন্য দরকার সচেতনতা। হাঁপানি থাকলে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমাতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।